শনিবার ৬ জুন বেলা ১১টায় নারায়ণগঞ্জ আলী আহাম্মদ চুনকা সিটি পাঠাগার মিলনায়তনে গভীর নলকূপ ব্যবহারকারী আবাসিক সমবায় সমিতির উদ্যোগে গভীর নলকূপের রেজিষ্ট্রেশন বাতিলের আন্দোলন ও নাসিক প্রশাসকের বাতিল ঘোষনা পর্যালোচনা অনুষ্ঠান হয়েছে।
এ সময় গভীর নলকূপ রেজিষ্ট্রেশন বাতিলের সিদ্ধান্ত নেয়ায় আন্দোলনের প্রেক্ষিতে নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খানকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানিয়েছে বরণ করে নেন সমবায় সমিতির নেতৃবৃন্দরা।
অ্যাডভোকেট মাহবুবুর রহমান ইসমাইল বলেছেন, গত ১৮ তারিখে গভীর নলকূপের রেজিস্ট্রেশন বাতিলের আন্দোলনে নাগরিক সভা করা হয়। এই সভা শেষে বক্তব্যে কর্মসূচী পরিপ্রেক্ষিতে নাসিকের প্রশাসক এই আন্দোলনের দাবি গভীর নলকূপের রেজিষ্ট্রেশন ও পানির কর বাতিল স্থগিত করা হয়েছে। এর সিদ্ধান্তে সমবায় সমিতির বৈঠকে তার সিদ্ধান্তে কি মূল্যায়ন করবো উল্লেখ্য করা হয়। এই সিদ্ধান্তকে আমরা ইতিবাচক হিসেবে নিয়েছি। পরবর্তিতে আজকে ঈদ পুনর্মিলনী পাশাপাশি গভীর নলকূপের রেজিষ্ট্রেশন বাতিলের আন্দোলন ও নাসিক প্রশাসকের বাতিল ঘোষনা পর্যালোচনা আয়োজনে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। হাইকোর্ট থেকে নিচু পর্যন্ত সকল স্তরে আমাদের আন্দোলনে তৎপরতা করা হয়েছে।
গভীর নলকূপ ব্যবহারকারী আবাসিক সমবায় সমিতির প্রধান উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট মাহবুবুর রহমান মাসুম বলেন, আমাদের দাবি ছিলো গভীর নলকূপের রেজিষ্ট্রেশন বাতিলের। সেই দাবির পদক্ষেপে প্রশাসক সিদ্ধান্ত নিয়েছেন এসব বন্ধ। তার এমন ঘোষনা জয়ী হয়েছি-আমরা। আমরা গভীর নলকূপ ব্যবহারকারী আবাসিক সমবায় সমিতি সকলেই ঐক্যবদ্ধ। আগামী দিনে এমন সিদ্ধান্তে সকলে এক সাথে থাকবো।
আন্দোলনের প্রেক্ষিতে নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খান বলেছেন, আসলে আপনাদের আন্দোলন করেছেন সেটা আমার কথাগুলো বুঝতে ভুল করেছেন। আমি বলেছিলাম, যার ইচ্ছা তিনি করবেন। রেজিষ্ট্রেশনে মাত্র ৫ হাজার টাকা ও বাৎসরিক ১০০টাকা দিয়ে ধারাবাহিকতা বজায় রাখার জন্য। এটা বলেছিলাম আমার সিটি কর্পোরেশনের লাভের জন্য নয়, কেনো বলেছিলাম পরবর্তিতে অন্য কোন সংস্থা আসলে আপনারা বলতে পারতেন আমরা বৈধ আছি। আমার ন্যায্যটা আপনাদের মতামতের ভিত্তিতে হবে। আপনারা যে মতামত ব্যক্ত করেছে আমি সে মতামত নিয়েছি- সে বিষয়টি বাদ দিয়ে দিয়েছি।
তিনি আরো বলেন, বর্তমানে নারায়ণগঞ্জ নগরীতে দৈনিক প্রায় ১২ কোটি লিটার পানির চাহিদা রয়েছে। নগরায়ণ, জনসংখ্যা বৃদ্ধি এবং অর্থনৈতিক কর্মকান্ডের সম্প্রসারণের ফলে ভবিষ্যতে এ চাহিদা বৃদ্ধি পেয়ে দৈনিক প্রায় ৫১.২ কোটি লিটারে পৌঁছাতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এই বাস্তবতায় নগরবাসীর জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত পানির সরবরাহ নিশ্চিত করতে আধুনিক পানি শোধনাগার স্থাপনের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেওয়া হয়। ইতোমধ্যে চীন ও স্পেনের সাথে আলোচনা করা হচ্ছে, আগামী ৩/৪ বছরে মধ্যে সুপেয় পানি ব্যবস্থা হয়ে যাবে।






