দেশীয় প্রজাতির মাছ ও শামুক সংরক্ষণের পাশাপাশি মৎস্যজীবীদের বিকল্প কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে গোপালগঞ্জে ৬০ জন দরিদ্র নিবন্ধিত মৎস্যজীবীর মাঝে আয়বর্ধনমূলক উপকরণ বিতরণ করা হয়েছে।
শনিবার (২০ জুন ২০২৬) সকালে গোপালগঞ্জ জেলা মৎস্য কর্মকর্তার কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এসব উপকরণ বিতরণ করা হয়। ২০২৫–২৬ অর্থবছরে মৎস্য অধিদপ্তরের ‘দেশীয় প্রজাতির মাছ এবং শামুক সংরক্ষণ ও উন্নয়ন প্রকল্প (প্রথম সংশোধিত)’–এর আওতায় গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার ৬০ জন নিবন্ধিত দরিদ্র মৎস্যজীবী এ সহায়তা পান।
অনুষ্ঠানে গোপালগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য ডা. কে. এম. বাবরের প্রতিনিধি প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। তিনি বলেন, দেশীয় মাছ দেশের খাদ্য নিরাপত্তা, পুষ্টি ও জীববৈচিত্র্যের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। মাছের প্রাকৃতিক প্রজনন ও সংরক্ষণ নিশ্চিত করতে হলে মৎস্যজীবীদের বিকল্প আয়ের সুযোগ সৃষ্টি করতে হবে। সরকারের এ উদ্যোগ মৎস্যসম্পদ রক্ষার পাশাপাশি জেলেদের জীবনমান উন্নয়নেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
গোপালগঞ্জ সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কৌশিক আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় মৎস্যসম্পদ সংরক্ষণ, অভয়াশ্রম ব্যবস্থাপনা এবং টেকসই মৎস্য আহরণের গুরুত্ব তুলে ধরা হয়। বক্তারা বলেন, মাছের প্রজনন মৌসুমে মাছ ধরা থেকে বিরত থাকা এবং দেশীয় প্রজাতির মাছ সংরক্ষণে জনসচেতনতা বৃদ্ধি এখন সময়ের দাবি।
অনুষ্ঠানে প্রেসক্লাব গোপালগঞ্জের সভাপতি মো. জুবায়ে
র হোসেন, জেলা ও উপজেলা মৎস্য বিভাগের কর্মকর্তারা, জনপ্রতিনিধি এবং উপকারভোগী মৎস্যজীবীরা উপস্থিত ছিলেন।
সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তার কার্যালয়, গোপালগঞ্জ সদর বাস্তবায়িত এ কর্মসূচির আওতায় উপকারভোগীদের হাতে বিভিন্ন বিকল্প আয়বর্ধনমূলক উপকরণ তুলে দেওয়া হয়। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা আশা প্রকাশ করেন, এ সহায়তা মৎস্যজীবীদের অর্থনৈতিক সক্ষমতা বৃদ্ধির পাশাপাশি দেশীয় মাছের টেকসই সংরক্ষণেও ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।








