তরুণরা একটি জাতির প্রাণশক্তি। সমাজ ও দেশের ভবিষ্যৎ তাদের হাতেই গড়ে ওঠে। রাজনীতি এড়িয়ে চলার বিষয় নয়, বরং দায়িত্ববোধ নিয়ে রাজনীতিতে সম্পৃক্ত হওয়াই সময়ের দাবি।
দেশপ্রেমের জায়গা থেকে তরুণদের বোঝা উচিত—রাষ্ট্র তাদের যেমন শিক্ষা, অধিকার ও সুযোগ দিয়েছে, তা ফিরিয়ে দেওয়ার সবচেয়ে বড় মাধ্যম হলো রাজনীতি। সমাজে দুর্নীতি, অন্যায় ও বৈষম্য দূর করতে হলে তরুণদের অগ্রণী ভূমিকা রাখতে হবে। তারাই পারে রাজনীতিকে পরিচ্ছন্ন, আধুনিক এবং জনগণের কল্যাণমুখী করে তুলতে।
আগামী দিনে দেশের নেতৃত্ব যাদের হাতে যাবে, তারা হচ্ছে বর্তমান তরুণ প্রজন্ম। রাজনীতির ভেতরে থেকে অভিজ্ঞতা, দৃষ্টিভঙ্গি ও নেতৃত্বগুণ অর্জন ছাড়া সেই দায়িত্ব সামলানো সম্ভব নয়। শুধু ব্যক্তিগত ক্যারিয়ার বা পরিবার নিয়ে সীমাবদ্ধ না থেকে সমাজ ও প্রতিবেশীর উন্নয়নে ভূমিকা রাখা প্রত্যেক তরুণের নৈতিক দায়িত্ব। আর সেই দায়িত্ব পালনের সবচেয়ে কার্যকর প্ল্যাটফর্ম হলো রাজনীতি।
বিশ্ব দ্রুত বদলাচ্ছে। প্রযুক্তি, শিক্ষা ও কর্মক্ষেত্রে আমাদের তরুণরা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করছে। একইভাবে রাজনৈতিক দক্ষতা ও সুশাসন গড়ে তুলতেও তরুণদের সক্রিয় অংশগ্রহণ প্রয়োজন।
রাজনীতি মানে শুধু ক্ষমতার প্রতিযোগিতা নয়; এটি মানুষের সেবা, ন্যায় প্রতিষ্ঠা এবং আগামী প্রজন্মের জন্য একটি সুন্দর বাংলাদেশ গড়ে তোলার অঙ্গীকার। তরুণরা যদি তাদের স্বপ্ন, শক্তি ও সৃজনশীলতাকে রাজনীতির সাথে যুক্ত করে, তাহলে তারা সমাজকে বদলাতে পারবে, প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করতে পারবে এবং বাংলাদেশকে এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যেতে পারবে।








