নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে পৃথক হামলায় তিন বিএনপির নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে এ ঘটনা ঘটে। পৌরসভার ষোলপাড়া এলাকায় বালু ব্যবসাকে কেন্দ্র করে পৌর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুর রহিমের নেতৃত্বে হামলা চালিয়ে যুবদল ও শ্রমিক দলের দুই নেতাকে পিটিয়ে রক্তাক্ত জখম করা হয়।
এছাড়াও সোনারগাঁ উপজেলা পরিষদ চত্বরে দূর্বত্তদের হামলার শিকার হন পৌরসভা বিএনপির সাবেক ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন কবির রফিক। আহতদের সোনারগাঁ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ও ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনায় আহত যুবদলের যুগ্ম আহবায়ক আবু সাঈদের স্ত্রী কাজল রেখা বাদি হয়ে সোনারগাঁ থানায় সন্ধ্যায় অভিযোগ দায়ের করেন।
জানা যায়, উপজেলার হামছাদী থেকে শুরু করে বালুয়াদিঘিরপাড়া পর্যন্ত ড্রেজার বসিয়ে বালুর ব্যবসা পরিচালনা করে আসছেন পৌরসভা যুবদলের যুগ্ম আহবায়ক আবু সাঈদ, শ্রমিক দলের আহবায়ক আবুল হোসেনসহ নেতাকর্মীরা।
আজ বৃহস্পতিবার দুপুর ২টার দিকে সোনারগাঁ পৌরসভা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুর রহিমের নেতৃত্বে লাঠিসোটা ও দেশীয় অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে মো. ইব্রাহিম, ইস্রাফিল, রায়হান, নজরুল ইসলাম, মো. রোমান (২৪), ইমাম হাসান, মো. সোহাগ, মো. সিয়ামসহ ২০-২৫জনের একটি দল গিয়ে ড্রেজার পাইপ বসাতে বাধা প্রদান করে।
এসময় আব্দুর রাহিম ও আবু সাঈদের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে আব্দুর রহিমের লোকজন পৌরসভা যুবদলের যুগ্ম আহবায়ক আবু সাঈদ ও পৌরসভা শ্রমিক দলের আহবায়ক আবুল হোসেনকে পিটিয়ে রক্তাক্ত জখম করে। পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে সোনারগাঁ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। পরে আবু সাঈদের অবস্থা আশংঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠায়।
এদিকে সোনারগাঁ পৌরসভার বিএনপির সাবেক ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন কবির রফিকের ওপর দুর্বৃত্তরা হামলা চালিয়ে আহত করে। এ ঘটনায় তিনি সোনারগাঁ থানায় সাধারণ ডায়েরী করেন।
হুমায়ুন কবির রফিক জানান, তিনি একজন ঠিকাদার। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে উপজেলা পরিষদে প্রকৌশলীর কার্যালয় থেকে ডেকে নীতে নিয়ে দুর্বৃত্তরা হামলা চালায়। কে বা কারা তার ওপর হামলা করছেন সিসি টিভি ফুটেজ চেক করলেই তাদের চিহ্নিত করা যাবে।
সোনারগাঁ পৌরসভার বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুর রহিমকে একাধিকবার ফোন করা হলে তিনি রিসিভ করেননি।
সোনারগাঁ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. রাশেদুল হাসান খাঁন বলেন, ড্রেসার ব্যবসা কেন্দ্র করে হামলার ঘটনায় অভিযোগ গ্রহন করা হয়েছে। তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এছাড়াও উপজেলা পরিষদ চত্বরে এক নেতার ওপর হামলার ঘটনায় সাধারণ ডায়েরী গ্রহন করা হয়েছে।





