সিদ্ধিরগঞ্জে ডিউটিরত পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে সিদ্ধিরগঞ্জ থানা পুলিশ। গত ১৫ আগস্ট সিদ্ধিরগঞ্জ থানার একটি জিডির সূত্র ধরে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশ জানায়, এএসআই (নিঃ) মোহাম্মদ স্বপনের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল সিদ্ধিরগঞ্জ থানা এলাকায় নিরাপত্তা কার্যক্রম, মাদক উদ্ধার ও গ্রেপ্তারি পরোয়ানা তামিলের দায়িত্বে নিয়োজিত ছিল। ডিউটির সময় তারা সিদ্ধিরগঞ্জ থানাধীন ৪ নম্বর ওয়ার্ডের আটি হাউজিং এলাকায় প্রকৌশলী রবিউলের নির্মাণাধীন আটতলা ভবনের দক্ষিণ পাশের বালুর মাঠে পৌঁছালে পূর্বপরিকল্পিতভাবে একদল ব্যক্তি পুলিশের ওপর হামলা চালায়।
অভিযোগ রয়েছে, হামলাকারীরা ধারালো চাপাতি, সুইচ গিয়ার, দা, লোহার রড ও লাঠিসোঁটা নিয়ে বেআইনি জনতাবদ্ধে সজ্জিত হয়ে পুলিশের ওপর আক্রমণ করে। হামলায় এএসআই মোহাম্মদ স্বপন, কনস্টেবল মনির হোসেন ও কনস্টেবল মো. আবু হানিফ গুরুতর আহত হন।
ঘটনার পর পুলিশের বৈধ কাজে বাধা প্রদান ও হামলার অভিযোগে সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় নিয়মিত মামলা করা হয়।
নারায়ণগঞ্জ জেলার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান মুন্সীর দিকনির্দেশনায় এবং সিদ্ধিরগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ এমদাদুল হকের তত্ত্বাবধানে পুলিশের একটি চৌকস দল অভিযান পরিচালনা করে চার আসামিকে গ্রেপ্তার করে।
গ্রেপ্তাররা হলেন—মো. নাইম হোসেন (২৫), মো. ইকবাল হোসেন (২১), মো. আব্দুল্লাহ (২৪) এবং মো. আলেক শাহ (২৮)।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, গ্রেপ্তার চারজনের মধ্যে নাইম, ইকবাল ও আব্দুল্লাহ সিদ্ধিরগঞ্জের আটি ওয়াবদা কলোনি (বউ বাজার) এলাকার বাসিন্দা। অপর আসামি আলেক শাহ নেত্রকোনার খালিয়াজুরী থানার কৃষ্ণপুর এলাকার বাসিন্দা এবং বর্তমানে সিদ্ধিরগঞ্জের আটি ওয়াবদা কলোনির বউবাজার এলাকায় ভাড়াটিয়া হিসেবে বসবাস করছিলেন।
গ্রেপ্তার আসামিদের বিধি মোতাবেক আদালতে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।



