আলোচিত অপহৃত ব্যবসায়ী নারায়ণগঞ্জ চেম্বার অব কর্মাস ইন্ডাস্ট্রিজের পরিচালক ও মীম শরৎ গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো.সোহাগ ও মামলার বাদি তার স্ত্রীকে মামলা তুলে নিতে প্রাণনাশের হুমকী দেয়ার ঘটনায় জড়িত ২ আসামীকে মঙ্গলবার (২১ জানুয়ারি) রাতে গ্রেপ্তার করেছে ফতুল্লা থানা পুলিশ।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, লতিফ সিদ্দিকী রতন ও সাব্বির আহমেদ। তবে এখনো পলাতক রয়েছে মামলার প্রধান আসামী আল আমিন ওরফে জিতু।
মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০২৫ সালের ১ জুন রাতে নারায়ণগঞ্জ চেম্বার অব কর্মাসের জেনারেল গ্রুপের পরিচালক ও মীম শরৎ গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. সোহাগকে নারায়ণগঞ্জ শহরের কলেজ রোড এলাকা থেকে অপহরণ করে পটুয়াখালী নিয়ে যায় অপহরণকারীরা। পরদিন ২জুন পটুয়াখালীর পায়রা বন্দর ফেরিঘাট এলাকায় গাড়ির ভিতর থেকে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় তাকে উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় তার স্ত্রী মোসাম্মৎ তানিয়া আহাম্মেদ বাদী হয়ে ফতুল্লা থানায় বিবাদীদের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করে। পরে অপহরণকারীদের কয়েকজনকে আটক করে পুলিশ আদালতে প্রেরণ করে। পরে গ্রেপ্তারকৃতরা ১৬৪ ধারার জবানবন্দিতে দোষ স্বীকার করে। দীর্ঘদিন কারাগার ভোগের পর ৩০ ডিসেম্বর আসামীরা জামিনে বের হয়।
কারাগার থেকে বের হয়ে আসামীরা বাদীকে নানাভাবে ভয়ভীতি ও প্রাণনাশের হুমকি দিচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। তার বসতবাড়ি ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের সামনেও মহড়া দিচ্ছে এসব অপহরণকারীরা। এঘটনায় ফতুল্লা থানায় সাধারণ ডায়েরী করেছেন সোহাগ।
ফতুল্লা মডেল থানার উপ-পরিদর্শক রফিকুল ইসলাম জানান, ব্যবসায়ী সোহাগকে অপহরণ ও প্রাণনাশের হুমকীর ঘটনায় জড়িত দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। জড়িত অন্যান্য আসামীদের গ্রেপ্তারে জন্য অভিযান অব্যাহত আছে।





