বন্দরে নবীগঞ্জ খেয়াঘাটে অতিরিক্ত টোল আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। যাত্রী সেবার নাম করে যাত্রী হয়রানি চরম পর্যায়ে পৌঁছেছে এই ঘাটটিতে।
শুধুমাত্র খেয়া পারাপারের জন্য ২টাকা করে রাখার শর্তে বিআইডব্লিউটি হকে ঘাট ইজারা নিলেও কথিত ইজারাদারের লোকজন যাত্রীদের কাছ থেকে জোরপূর্বক অতিরিক্ত টোল আদায় করে নিচ্ছে বলে ওই ঘাটে চলাচলরত হাজার হাজার যাত্রীরা অভিযোগ করেন।
এ ব্যাপারে তিনগাও এলাকার জনৈক গার্মেন্টসকমী আব্দুর রহমান জানান,নবীগঞ্জ খেয়াঘাটের মালিকরা যাত্রীদের উপর অনেক জুলুম করছেন। তারা দিনের বেলা তাদের ইঞ্জিন চালিত খেয়া পারাপার করে চালকরা ২টাকা করে নিচ্ছে আবার ইজারাদারের কর্মচারীরাও ছালা বিছিয়ে ২টাকা করে আদায় করছে।
নৌকা এবং টোলকর্মীদের দ্বিগুন টোল আদায়ের কারণে সাধারণ আয়ের লোকজনকে নিদারুন কষ্টে পারাপার হতে হচ্ছে। যেখানে ক্ষুদ্র গার্মেন্টস শ্রমিকরা প্রতিমাসে হেলপারী করে কেউ ৬০০ কেউ ১০০০ কেউবা ১২০০/১৫০০টাকা বেতন পায় এর মধ্যে প্রতিদিন ১০/১৫ টাকা নদী পারাপারে ব্যয় হয়ে গেলে তাদের সংসার চালানো দুরূহ হয়ে পড়ে। অতিরিক্ত টোল আদায়ের কারণ জানতে চাইলে ইজারাদারের লোকজন যাত্রী সাধারণদেরকে মারধরসহ লাঞ্চিত করে।
অথচ পার্শ্ববর্তী বন্দর ১নং খেয়াঘাটে নৌকার যাত্রীদের কাছ থেকে কোন টাকা রাখা হয় না এবং রাত ১০টার পরে ২টাকা দিয়েই পারাপারা হওয়া যায়। এ ব্যাপারে নবীগঞ্জ খেয়াঘাটের ইজারাদারের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি। তবে তাদের কর্মচারীরা জানায়, রাত ১০টার পর ৫ টাকা করে এবং নৌকা যাত্রীদের কাছ থেকে ২টাকা করে আলাদা রাখা হয় উপরের নির্দেশে। বিষয়টি প্রশাসনের উর্দ্ধতন পর্যায়ের কর্তা ব্যক্তিদের গোচরে আসা বাঞ্চনীয়। একই সাথে ভুক্তভোগীরা বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর আশু হস্তক্ষেপ কামনা করছে





