বন্দর প্রতিনিধি: বন্দরে ১৩ বছরের এক কিশোরীকে ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোর পূর্বক ধর্ষন করে পালিয়ে যাওয়ার সময় স্থানীয জনতা সজীব (৩০) নামে এক লম্পট রিক্সা চালককে আটক করে পুলিশে সোর্পদ করেছে । ধৃত ধর্ষক সজীব বন্দর থানার নবীগঞ্জ বাগবাড়ীস্থ লাল মিয়া স্কুলের পাশে সেলিম মিয়ার বাড়ীর ভাড়াটিয়া বলে জানা গেছে।
এ ব্যাপারে ধর্ষিতার পিতা জয়নাল আবেদীন বাদী হয়ে শুক্রবার (২৬ জুন) সকালে ধৃত ধর্ষককে আসামী করে বন্দর থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে এ মামলা দায়ের করেন। যার মামলা নং- ৩৮(৬)২৬। ধৃতকে উল্লেখিত মামলায় শুক্রবার (২৬ জুন) দুপুরে আদালতে প্রেরন করেছে পুলিশ। পুলিশ একই দিনে ভিকটিমকে উদ্ধার করে ডাক্তারি পরিক্ষার পর ২২ ধারায় আদালতে প্রেরন করেছে পুলিশ।
এর আগে গত বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) সন্ধ্যা পৌনে ৭টায় বন্দর থানার নবীগঞ্জ কবিলেরমোড়স্থ মুকুল চেয়ারম্যানের ফাঁকা জমির মধ্যে কলাগাছের নিচে এ ঘটনাটি ঘটে। মামলার বাদী জানান, আমার ১৩ বছরের কিশোরী মেয়ে অতি সহজ সরল প্রকৃতির। ধৃত বিবাদী পেশায় অটো রিক্সা চালক।
গত বৃহস্পতিবার বিকেল সাড়ে ৫টায় আমার মেয়ে ভিকটিম নবীগঞ্জ বাসস্ট্যান্ডে হাটাহাটি করছিল । ওই সময় রিক্সা চালক বিবাদী সজিব আমার মেয়েকে বলে তুমি আমার রিক্সায় ওঠো আমি তোমাকে বাড়ী সামনে নামিয়ে দিব। আমার মেয়ে সরল বিশ্বাসে বিবাদীর রিক্সায় উঠে কিছুদূর সামনে যাওয়ার পর বিবাদী আমার মেয়েকে বলে চলো সাবদী থেকে ঘুরে আসি।
তারপর বিবাদী রিক্সায় করে আমার মেয়েকে থানার বিভিন্ন জায়গায় ঘুরিয়ে একই দিন সন্ধ্যা পৌনে ৭টার সময় বন্দর থানার কবিলেরমোড়স্থ মুকুল চেয়ারম্যানের ফাঁকা জমির মধ্যে কলাগাছের নিচে নিয়ে মুখ চেপে ধরে পরনের সালোয়ার খুলে জোর পূর্বক ধর্ষন করে। পরে বিবাদী ধর্ষণ শেষে আমার মেয়েকে বিভিন্ন ধরনের হুমকি প্রদান করে পালিয়ে যাওয়ার সময় আমার মেয়ের ডাক চিৎকার শব্দ পেয়ে আশপাশের লোকজন দ্রুত ঘটনাস্থলে এসে লম্পট রিক্সা চালক সজীবকে আটক করে পুলিশে সোর্পদ করে।




