নারায়ণগঞ্জ । শনিবার
১৩ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ,
৩০শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সংখ্যালঘুর সম্পত্তি, হত্যা, চাঁদাবাজি, মামলার আসামি মোর্শেদা আক্তার ও হুমায়ূন কবির এখনো অধরা।

বন্দরে চিহ্নিত জাল দলিল কারক বৈষম্য বিরোধী ছাত্র হত্যা, চাঁদাবাজি, প্রতারণা সহ একাধিক মামলার আসামি হুমায়ূন কবির মৃধা ও তার স্ত্রী মোর্শেদা আক্তার। বন্দর উপজেলার তিন গাঁও এলাকায় এক সংখ্যালঘুর সম্পত্তির জোর পূর্বক জাল দলিল করে লিখিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে বাটপার হুমায়ূন কবিরের বিরুদ্ধে। তার স্ত্রী মোর্শেদা আক্তার কে কদম রসুল পৌরসভায় গত সরকারের আমলে চাকরি নিয়ে দেন হুমায়ূন। তার ছেলে পিয়াস কবীর ছাত্রলীগের চিহ্নিত সন্ত্রাসী বিদেশে পালিয়ে দেশে নাশকতার চেষ্টা চালাচ্ছে বলে জানা যায়।

হুমায়ূনের বিরুদ্ধে রয়েছে একাধিক মামলা, স্কুলের অর্থ আত্মসাত, হুমায়ূনের স্ত্রী মোর্শেদা আক্তারের বিরুদ্ধে রয়েছে সরকারি ভাবে বরাদ্দ পাওয়া ফ্ল্যাট গোপন বিক্রি করে টাকা আত্মসাৎ সহ বিভিন্ন অনিয়ম দুর্নীতি। ইতিমধ্যে হুমায়ূন দম্পতির বিরুদ্ধে বিজ্ঞ আদালতে মামলা দায়ের করেন নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে অংশগ্রহণ করা সাবেক প্রতিদ্বন্দ্বী মেয়র প্রার্থী , বিএনপির শরীক দল বাংলাদেশ এলডিপির নারায়ণগঞ্জ জেলার আহ্বায়ক, লেখক ও প্রকাশক জনাব কামাল প্রধান। মামলা নং সি, আর ১৩২/২৬ ইং

মামলার এজাহারে বলা হয় আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় থাকাকালীন সময়ে পেশিশক্তি ও অপব্যবহার করে নামে বেনামে মিথ্যা মামলা বানিজ্য, জাল দলিল সৃজন করা, চাঁদাবাজি করা সহ বিভিন্ন অপরাধে মামলা টি দায়ের করা হলে বিজ্ঞ চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বন্দর আমলী আদালত বন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিল করার নির্দেশ দিয়েছেন। অন্যদিকে প্রতারক হুমায়ূনের স্ত্রী মোর্শেদা আক্তারের বিরুদ্ধে নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের প্রসাশক লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ভোক্তবোগী। তবে হুমায়ুন পরিবারের বিরুদ্ধে উঠে এসেছে ভয়ংকর জালিয়াতি ও প্রতারণার তথ্য। মোর্শেদা আক্তার ফৌজদারি আইনের আসামি হয়ে এখনো কি ভাবে সিটি কর্পোরেশনে চাকরি করে তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয় লোকজন।

মোর্শেদা আক্তারের বিরুদ্ধে দায়ের করা অভিযোগ আমলে নিয়ে তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা এবং চাকরিচ্যুত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জোর দাবি জানান ভোক্তবোগীরা। আওয়ামী দোসর হত্যা মামলা সহ একাধিক মামলার আসামি হুমায়ূন কবির মৃধার স্ত্রী মোর্শেদা আক্তার এখন বেহাল তবিয়তে তা নিয়ে প্রসাশকের প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করেন সাধারণ মানুষ। তবে শেষ পর্যন্ত প্রসাশক কি ব্যবস্থা গ্রহণ করেন তা এখন দেখার অপেক্ষায় নারায়ণগঞ্জের সাধারণ জনগণ। মামলা দায়ের পর থেকে হুমায়ূন পালিয়ে বেড়াচ্ছেন, তার ছেলে পিয়াস কবীর প্রবাসে পালিয়ে দেশে নাশকতার জন্য অর্থ পাঠিয়ে অরাজকতা সৃষ্টির অপচেষ্টা চালাচ্ছে। মোর্শেদা আক্তার মাঝে মধ্যে অফিস করেন বলে জানা গেছে। জাল দলিল কারক ও প্রতারক হুমায়ূন দম্পতির আকাম কুমাম সম্পর্কে আরো বিস্তারিত জানতে চোখ রাখুন দৈনিক আলোকিত নিউজ ডটকম সহ বিভিন্ন গনমাধ্যমে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও সংবাদ >