বন্দর প্রতিনিধি: বন্দরে বাংলাদেশ ইনিস্টিউট অব মেরিন টেকনোলজি ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ প্রকৌশলী মোঃ জিয়াউল হকের অনৈতিক কর্মকান্ডে ফুসে উঠছে সাধারন শিক্ষার্থীরা।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে শিক্ষার্থীরা ক্ষোভ প্রকাশ করে গণমাধ্যমকে আরো জানান,মেরিন টেকনোলজি ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ প্রকৌশলী মোঃ জিয়াউল হকের স্বেচ্ছাচারিতার কারনে প্রতিষ্ঠানের সিনিয়র ইন্সটেক্টরগন শুধু হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর করে তাদের দায়িত্ব পালন শেষ করছেন। ইন্সটেক্টরদের অনুউপস্থিত থাকার কারনে নিয়মিত ক্লাস করতে পারছেনা অধিকাংশ শিক্ষার্থীরা। যার কারনে ঐতিহ্যবাহী কারিগরি প্রতিষ্ঠানের শিক্ষারমান ভাটা পরাসহ শিক্ষার্থী সংখ্যা দিন দিন কমে যাচ্ছে। এ ছাড়াও একাধিক ইন্সটেক্টরগন মেরিন টেকনোলজি পাশাপাশি অন্যত্রস্থানে চাকুরি করে আসছে।
বিভিন্ন তথ্য সূত্রে ও খোঁজ নিয়ে আরো জানা গেছে, মেরিন টেকনোলজি ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ প্রকৌশলী মোঃ জিয়াউল হকের স্বেচ্ছাচারিতার কারনে মেরিন টেকনোলজির স্টাফ কোয়াটারগুলো অবহেলা অযত্নে পরে আছে। রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে প্রতিনিয়তই স্টাফ কোয়াটারে ফ্যান, বৈদ্যুতিক লাইট এমনকি জানালার গ্রিল চুরি করে নিয়ে যাচ্ছে চোরের দল।
এ ছাড়াও মেরিন টেকনোলজি ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ প্রকৌশলী মোঃ জিয়াউল হক ক্ষমতার অপব্যবহার করে মেরিন টেকনোলজি বিভিন্ন ফলজ ও বনজ গাছ কেটে বাহিরে অবাধে বিক্রি করে পকেট ভারি করে আসছে। এ ছাড়াও
একই প্রতিষ্ঠানের প্রজেক্ট অফিসার মোঃ আশিক আল আব্বাস, ফাইন্যান্স ও ডকুমেন্টেশন অফিসার মোঃ নুর আলম সরকার মিলে এই প্রতিষ্ঠানে সর্বক্ষেত্রে দূর্নীতি করে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে বলেও অপর একটি সূত্রে জানা গেছে ।
সূত্র আরো জানায়, যথাযথ নিরাপত্তার অভাবে প্রতিনিয়ত এ প্রতিষ্ঠান থেকে কতিপয় ৩য় ও ৪র্থ শ্রেণী কর্মচারীরা মূল্যবান মালামাল বাইরে নিয়ে বিক্রি করে প্রতিষ্ঠানের আর্থিক ক্ষতি করে নিজেদের পকেট ভারি করছে।
রোববার দুপুরে এ বিষয়ে মেরিন টেকনোলজি ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ প্রকৌশলী মোঃ জিয়াউল হকের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি।
ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ প্রকৌশলী মোঃ জিয়াউল হকের অনৈতিক কর্মকান্ডের ঘটনার সুষ্ঠ তদন্তসহ আইনগত ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীরা।






