নারায়ণগঞ্জ ।
,

বন্দরে বিএনপি নেতার বাড়িতে হামলার ঘটনায় চেয়ারম্যান সহ দুই মেম্বারের বিরুদ্ধে অভিযোগ

বন্দর উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক দাবি করা তাওলাদ মাহমুদের বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ মুছাপুর ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মঞ্জুর আলম মঞ্জু ও দুই মেম্বার সহ তার বাহিনীর বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

বুধবার (২৯ অক্টোবর) রাত সাড়ে ৮ টার দিকে বন্দর উপজেলাধীন মুছাপুর বাজুরবাগ এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনায় ইউপি চেয়ারম্যান মঞ্জুর আলম মঞ্জু ৬নং ওয়ার্ড মেম্বার মনোয়ার হোসেন, ৪, ৫ ও ৬নং ওয়ার্ডের সংরক্ষিত নারী মেম্বার লাভলী সহ ১৩ জনের নাম উল্লেখ করে বন্দর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন বিএনপি নেতা তাওলাদ মাহমুদ।

অভিযোগের বিবরণে জানা যায়, বিবাদীরা নানা ধরনের অপকর্ম ও সন্ত্রাসী কার্যক্রমের সাথে জড়িত এবং তার প্রতিবাদ করলে তাদের সাথে বিরোধ চলে। যার প্রেক্ষিতে কিছুদিন পূর্বে আমার উপর হামলা চালিয়ে আমার টাকা পয়সা ছিনিয়ে নেয়। এই ঘটনায় বিবাদীদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে। যার বন্দর থানার মামলা নং- ৫২, তারিখ: ২৯/১০/২০২৫ ইং। মামলা সংক্রান্তে বিবাদীরা আমাকে মামলা তুলে নেওয়ার জন্য নানা ধরনের হুমকি দিয়ে আসছে। আমি মামলা তুলে না নিলে বিবাদীরা আমার বাড়িঘর ভাঙচুরসহ আগুনে পুড়িয়ে দেয়ার ভয়ভীতি দেখায়। এরই ধারাবাহিকতায় গতকাল ২৯ রাত সাড়ে ৮ টার দিকে উক্ত বিবাদীরা সঙ্গবদ্ধ হয়ে দেশীয় অস্ত্রশসস্ত্রে সজ্জিত হয়ে বন্দর থানাধীন বাজুর বাগ সাকিনস্থ আমার বাড়িতে গিয়ে হামলা চালায় ।

বাড়িতে থাকা আমার ভাতিজি আইরিন(৩০), আমার বোন হোসনে আরা(৬৫) এবং আমার নাতি মোঃ নাওয়াদ(৯) দের দেশীয় অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে আমার বাড়িঘর ভাঙচুর ভাঙচুর প্রায় ২ লাখ টাকার ক্ষতি সাধন করে। এছাড়া বিবাদীরা আমার ঘরের ভেতর প্রবেশ করে ঘরের আসাব পত্র ভাঙচুর করে এবং স্টিলের আলমারিতে থাকা নগদ ১,৫০,০০০/- (এক লক্ষ পঞ্চাশ হাজার টাকা, স্বর্ণের গহনা, গলার হার- ২ ভরি, চেইন- ০১ ভরি, হাতের চুরি- ১ ভরি ৪ আনা। মোট ওজন ০৪ ভরি ০৪ আনা। যাহার সর্বমোট মূল্য অনুমান ৮,৩০,০০০/- টাকা সহ আনুষঙ্গিক জিনিসপত্র নিয়ে যায়। সে সময় আশপাশের লোকজন এগিয়ে আসলে মামলা তুলে না নিলে পুনরায় রাতের আঁধারে আমার বাড়িতে আগুন দিয়ে আমাদের আগুনে পুড়িয়ে হত্যা করবে বলে হুমকি দেয়। বিবাদীরা বিগত আওয়ামীলীগের দোসর ও সন্ত্রাসী প্রকৃতির লোক বিধায় তাদের আতঙ্কে আমি ও আমার পরিবার নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি।

এ বিষয়ে মুছাপুর ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মঞ্জুর আলম মঞ্জুর ব্যবহৃত মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি ফোনকল রিসিভ করেনি।

এ বিষয়ে বন্দর থানা অফিসার ইনচার্জ বলেন, এ বিষয়ে অভিযোগ পেয়েছি। তবে তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও সংবাদ >