আমরা বসন্তের কোকিল নই বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ড. শফিকুর রহমান।
তিনি বলেন, আমরা কোনো স্বার্থের গোলাম নই, বসন্তের কোকিলও নই। আমরা জনগণ ও দেশের মাটিকে ভালোবাসি। এ জন্য চরম বিপদের সময় দেশে ছিলাম। কথা দিচ্ছি আগামীতে পরিবেশ যাই হোক আমরা দেশ ছেড়ে অন্য কোনো জায়গায় নিশানা খুঁজবো না। আল্লাহ যেন এখানেই আমাদেরকে কবুল করেন।
শনিবার (২৪ জানুয়ারি) সকালে রংপুরের পীরগঞ্জে শহীদ আবু সাঈদের কবর জিয়ারত শেষে আবু সাঈদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে আলাপকালে জামায়াত আমির এসব কথা বলেন।
ইনশাল্লাহ আল্লাহতালাহ আপনাদের সঙ্গেই আমাদেরকে রাখবেই জানিয়ে ড. শফিকুর রহমান বলেন, জুলাই বিপ্লবের প্রধান সেনাপতি আবু সাঈদের ঋণ পরিশোধ করার শক্তি আমরা রাখি না। এরপরও আমাদেরকে চেষ্টা করতে হবে। তারা আমাদেরকে ঋণী করে গেছেন। আমাদেরকে দায়িত্ব দিয়ে গেছেন। তাদের স্বপ্নগুলো আমাদেরকে বাস্তবায়ন করতে হবে। জাতিকে পাহারা দিতে শহীদরা আমদেরকে দায়িত্ব দিয়ে গেছে। তাদের জীবনের সর্বোচ্চ বড় সম্পদ, জীবন ও রক্ত উপহার দিয়ে গেছে। তাই আমাদেরকে জাতির জন্য কাজ করতে হবে। ওরা তো আওয়াজ দিয়ে চলে গেছে।
আবু সাঈদসহ জুলাই বিপ্লবী শহীদ প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে তিনি বলেন, তাদের জন্য দোয়া করছি আল্লাহ যেন তাদের জান্নাত নসিব করেন। তাদের অবাস্তবায়িত স্বপ্ন আমরা যেন বাস্তবায়ন করতে পারি আল্লাহ যেন সে তৌফিক আমাদের দান করেন। তাদের স্বপ্ন ছিল সামান্য। কোনো ফ্যাসিবাদ দেশের শাসক হতে পারবে না। তাদের স্বপ্ন ছিল প্রত্যাশা ও নিরাপদ বাংলাদেশের। যেখানে প্রত্যেকটা নাগরিক শান্তিতে বসবাস করবে। তাদের স্বপ্ন বাস্তবায়নে আমরা লড়াই চালিয়ে যাব। জনগণের মুক্তি যতদিন নিশ্চিত না হবে ততদিন আমরা লড়াই চালিয়ে যাব।
যুবকদের বিষয়ে তিনি বলেন, আল্লাহ আমাদের তৌফিক দিলে আমরা যুবকদের প্রত্যাশার বাংলাদেশ গড়বো। দেশের নেতৃত্ব আমরা তোমাদের হাতে তুলে দিয়ে পেছন থেকে আমরা তোমাদের শক্তি, সাহস ও সমর্থন যোগাবো। তোমাদেরকে ভালোবাসা দিয়ে যাব ইনশাল্লাহ।
ড. শফিকুর রহমান বলেন, যুবকরা তোমরা তৈরি হও। আগামী নির্বাচনে তোমাদের ভোটের প্রতিফলন হোক। তোমরা পছন্দ মতো ভোট দিয়ে যাবে। আগামীতে যেন তোমাদের ভোট নিয়ে কেউ কোনো ধরনের হেলাফেলা করতে না পারে। এ জন্য তোমাদেরকে জুলাই যোদ্ধা হয়ে আর একবার লড়তে হবে। জনতার বিজয় ছিনিয়ে আনতে হবে। আমাদের যুবকরা যে অঙ্গিকার নিয়ে কাজ শুরু করেছে তা শেষ হয় নাই। আমি বিশ্বাস করি যুবকরা পারবে ইনশাল্লাহ।
এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সদস্য সচিব আখতার হোসেনসহ জোটের বিভিন্ন স্তরের নেতারা।







