ভোলার সদর উপজেলার পশ্চিম ইলিশা সংলগ্ন মেঘনা নদীতে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়েছে কোস্টগার্ড। অভিযানে চারটি ড্রেজার ও একটি বাল্কহেডসহ আটজনকে আটক করা হয়েছে।
পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ড্রেজার ও বাল্কহেডের মালিকদের মোট দুই লাখ টাকা জরিমানা এবং বালু উত্তোলনে জড়িত সাতজনকে ১০ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। আটক আটজনের মধ্যে একজন অপ্রাপ্তবয়স্ক হওয়ায় তাকে মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়।
শুক্রবার (২ অক্টোবর) বিকেলে বিষয়টি নিশ্চিত করেন কোস্টগার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন।
কোস্টগার্ড সূত্র জানায়, শুক্রবার রাত সাড়ে ১২টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কোস্টগার্ড বেইস ভোলার একটি দল পশ্চিম ইলিশা সংলগ্ন মেঘনা নদীতে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনরত অবস্থায় চারটি ড্রেজার ও একটি বাল্কহেডসহ আটজনকে আটক করা হয়।
আটকরা হলেন—ভোলার দুলারহাট থানার আহমদপুর গ্রামের রুবেল, বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জ থানার চর মিঠুয়া গ্রামের রিপন, ভোলার ভেদুরিয়া গ্রামের নোমান মিয়া, একই এলাকার সালাহউদ্দিনের ছেলে ইয়ামিন (১৬), ভোলার উত্তর ইলিশা গ্রামের মো. আব্বাস (৩৮), বরিশালের বাকেরগঞ্জ থানার শিয়ালগনি গ্রামের পরশ মনি হাওলাদার, বরিশাল কোতোয়ালি থানার বিমানবন্দর এলাকার সুমন হাওলাদার এবং একই থানার চন্দ্রমোহন এলাকার মো. খলিল।
পরে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়। আদালত ড্রেজার ও বাল্কহেডের মালিকদের মোট দুই লাখ টাকা জরিমানা করেন। পাশাপাশি অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের সঙ্গে জড়িত সাতজনকে ১০ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়। অপ্রাপ্তবয়স্ক ইয়ামিনকে মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
কোস্টগার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন বলেন, নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের কারণে নদীতীরবর্তী মানুষের ফসলি জমি ও বসতভিটা হুমকির মুখে পড়ছে। এ ধরনের ক্ষতি রোধে অবৈধ বালু উত্তোলনকারীদের বিরুদ্ধে কোস্টগার্ডের অভিযান অব্যাহত থাকবে।



