দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মামলায় ইন্টারপোলের সহযোগিতায় তাকে গ্রেপ্তার করেছে দুবাই পুলিশ।
পুলিশ সদরদপ্তরের এক ঊধ্বর্তন কর্মকর্তা আজ রোববার দুপুরে দ্য ডেইলি স্টারকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
নাম প্রকাশ না করা শর্তে তিনি বলেন, ‘দুদকের মামলায় ইন্টারপোলের সহযোগিতায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গত ১২ জুন তারা একটি চিঠি দিয়ে আমাদের এ তথ্য জানিয়েছে।’
এ বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ ডেইলি স্টারকে বলেন, ‘সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদকে দুবাইয়ে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। দুদকের একটি মামলায় ইন্টারপোলের সহায়তায় দুবাই পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করেছে।’
পরে সংসদ অধিবেশনে তিনি বলেন, ‘তাকে দেশে ফিরিয়ে আনতে আমরা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেব।’
সাবেক এই পুলিশ প্রধানের বিরুদ্ধে দায়িত্বে থাকা অবস্থায় বিপুল পরিমাণ অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে তদন্ত করছে দুদক।
র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র্যাব) মহাপরিচালক থাকাকালে বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞার মুখে পড়া বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে জমি দখলে দুটি পদ্ধতি ব্যবহারের অভিযোগ রয়েছে—সরাসরি ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং পরোক্ষ চাপ প্রয়োগ।
দুদকের অনুসন্ধানে এ পর্যন্ত জানা গেছে, বেনজীর আহমেদ ও তার পরিবারের সদস্যরা দেশের বিভিন্ন জেলায় অন্তত ৬১৩ দশমিক ৪১ বিঘা জমি কিনেছেন। এর মধ্যে গোপালগঞ্জ ও মাদারীপুরে ৬০৫ দশমিক ৭৭ বিঘা জমি রয়েছে, যেগুলোর মালিকানা একসময় হিন্দু সম্প্রদায়ের সদস্যদের ছিল।
তিনি নিজ জেলা গোপালগঞ্জে সাভানা ইকো রিসোর্ট অ্যান্ড ন্যাচারাল পার্কসহ অধিকাংশ সম্পদ গড়ে তোলেন র্যাবের মহাপরিচালক (জানুয়ারি ২০১৫–এপ্রিল ২০২০) এবং পুলিশের মহাপরিদর্শক (এপ্রিল ২০২০–সেপ্টেম্বর ২০২২) হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে।







