আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চলমান কার্যক্রম পরিদর্শন করেছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। পরিদর্শন শেষে সোমবার (৪ মে) বিকালে ট্রাইব্যুনাল প্রাঙ্গণে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন আইনমন্ত্রী।
মো. আসাদুজ্জামান বলেন, “এখন পর্যন্ত বর্তমান ট্রাইব্যুনালের কার্যক্রমের ব্যাপারে প্রশ্ন তোলার মতো কোনও দিক পাইনি। পেলে নিশ্চয়ই আমরা দেখবো। তবে এখানে আসা বিভিন্ন মামলা নিয়ে আমরা যাচাই-বাছাই করছি। অপরাধ যদি হয়ে থাকে সেটার বিচারের জন্য মামলার সংখ্যা বাড়া মুখ্য বিষয় নয়। ন্যায়বিচার হচ্ছে কিনা— সেটাই আমাদের কাছে চ্যালেঞ্জের বিষয়। আমরা ন্যায়বিচার নিশ্চিতে যা করার তা-ই করবো।”
তিনি আরও বলেন, “আইন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পাওয়ার পর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউশনের সঙ্গে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রথম বৈঠক করলাম। এটা সৌজন্য একটি বৈঠক। এখানে কী ধরনের সমস্যা রয়েছে তা জানলাম। আইনি ও প্রশাসনিক প্রক্রিয়ায় এসব সমস্যা কীভাবে মোকাবিলা করা যায়, সে বিষয়ে আলোচনা হলো।”
প্রসিকিউশনের বিতর্কিত কর্মকাণ্ড প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “আমরা সবগুলো বিষয়ই সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে পদক্ষেপ নিয়েছি। প্রসিকিউশনের কারও বিরুদ্ধে এমন কোনও পদক্ষেপ আগে নেওয়া হয়েছে বলে নজির নেই। আমরা পদক্ষেপ নিয়েছি। এটা সামনেও চলমান থাকবে।”
সুপ্রিম কোর্টের এজলাস কক্ষে সাংবাদিক প্রবেশে প্রধান বিচারপতির বাধার প্রশ্নে আইনমন্ত্রী বলেন, “প্রধান বিচারপতি একগুঁয়ে কোনও সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে এমন প্রশ্নে একমত নই। কারণ এটি তার প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত। বিচারিক কোনও সিদ্ধান্ত নয়। কেন নিয়েছেন সেটি তিনি ভালো জানেন। সাংবাদিকদের মানববন্ধনের বিষয়টি আমার দৃষ্টিতে এসেছে। প্রধান বিচারপতির নজরে এসেছে বলেও বিশ্বাস করি। তাই মেধা, প্রজ্ঞা ও অভিজ্ঞতা দিয়ে তিনি এটি পুনর্বিবেচনা করবেন বলে আমি আশা করি।”
এসময় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম, প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ, মঈনুল করিমসহ অন্যান্য প্রসিকিউটররা উপস্থিত ছিলেন।







