২০২৬ সালের এপ্রিলের শেষ সপ্তাহে (২৮-৩০ এপ্রিল) বাংলাদেশে কালবৈশাখী ঝড় ও ভারী বৃষ্টিপাতে দেশের উত্তর-পূর্ব ও উপকূলীয় অঞ্চলে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, এসময়ে রেকর্ড পরিমাণ বৃষ্টিপাত হয়েছে।
সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত হওয়া এলাকা (২৮-২৯ এপ্রিল ২০২৬):
নিকলী (কিশোরগঞ্জ): দেশের সর্বোচ্চ ১৬০-১৬১ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।
ভোলা: ১৫১ মিলিমিটার। ফেনী: ১৪৮ মিলিমিটার।
শ্রীমঙ্গল (মৌলভীবাজার): ১৫৮ মিলিমিটার পর্যন্ত বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছিল।
ময়মনসিংহ, কুমিল্লা ও সীতাকুণ্ড: এখানেও ভারী (১০০ মিলিমিটারের বেশি) বৃষ্টি হয়েছে।
ঝড়-বাদল ও বৃষ্টিতে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা:১. হাওর অঞ্চল (সুনামগঞ্জ, সিলেট, হবিগঞ্জ, মৌলভীবাজার): প্রবল বৃষ্টিতে হাওর বেসিনে নদ-নদীর পানি বেড়ে গিয়ে বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।
হবিগঞ্জ ও সুনামগঞ্জে প্রায় ৫,০০০ হেক্টর আমন ও আউশ ধানের ক্ষেত তলিয়ে গেছে।
২. চট্টগ্রাম ও উপকূলীয় অঞ্চল: ভারী বৃষ্টি ও দমকা হাওয়ায় চট্টগ্রাম, সীতাকুণ্ড ও ফেনী এলাকায় ফসলি জমির ক্ষতি হয়েছে এবং কিছু পাহাড়ি এলাকায় ভূমিধসের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
৩. ঢাকাসহ ঢাকা ও ময়মনসিংহ বিভাগ: কালবৈশাখী ঝড় ও বিদ্যুত চমকানোর ফলে রাজধানীর নিচু এলাকায় জলাবদ্ধতা এবং বিভিন্ন স্থানে গাছপালা ভেঙে ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া গেছে।
সারসংক্ষেপ: এপ্রিলের শেষের এই ঝড়-বৃষ্টিতে সবচেয়ে বেশি কৃষি ও ফসলের ক্ষতি হয়েছে সিলেট ও হবিগঞ্জের হাওর এলাকায় এবং কিশোরগঞ্জের নিকলী অঞ্চলে।






