মধ্যপ্রাচ্যে ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা ও জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগের মধ্যেই সপ্তাহের শেষ কর্মদিবস শুক্রবার বিশ্ববাজারে তেলের দামে সামান্য পতন হয়েছে।
রাশিয়া, ইরান ও ভেনেজুয়েলা থেকে তেল পরিবহনকারী নির্দিষ্ট কিছু জাহাজের ওপর নিষেধাজ্ঞা শিথিলের সম্ভাবনা এবং জরুরি মজুত থেকে জ্বালানি সরবরাহ বাড়ানোর উদ্যোগে দামে এ নিম্নমুখী প্রবণতা দেখা গেছে।
শুক্রবার আন্তর্জাতিক বেঞ্চমার্ক ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ৪১ সেন্ট বা শূন্য দশমিক ৩৯ শতাংশ কমে প্রতি ব্যারেল ১০৫ ডলার ৫১ সেন্টে নেমেছে। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েটের (ডব্লিউটিআই) দাম ৫৪ সেন্ট বা শূন্য দশমিক ৫৫ শতাংশ কমে প্রতি ব্যারেল ৯৭ ডলার ৪৩ সেন্ট হয়েছে।
বাজার বিশ্লেষকদের মতে, আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থার (আইইএ) জরুরি মজুত থেকে আরও ২ কোটি ব্যারেলের বেশি ডিজেল এবং আগে প্রতিশ্রুত অবশিষ্ট অপরিশোধিত তেল সরবরাহের উদ্যোগ বাজারে কিছুটা স্বস্তি এনেছে।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছানো নৌপরিবহন ব্যয় কমাতে রাশিয়া, ইরান ও ভেনেজুয়েলা থেকে তেল পরিবহনকারী নির্দিষ্ট কিছু জাহাজের ওপর নিষেধাজ্ঞা শিথিলের বিষয়টি বিবেচনা করছে মার্কিন প্রশাসন।
তবে মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতি এখনো তেলের বাজারে উদ্বেগের কারণ। বাব আল-মানদেব প্রণালী ও আশপাশের এলাকায় তেলবাহী জাহাজে হামলার ঘটনা এবং সৌদি আরব ও ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীদের মধ্যে সংঘাতের কারণে লোহিত সাগর ও হরমুজ প্রণালী দিয়ে জ্বালানি পরিবহন ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।





