ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে নিয়ন্ত্রণহীন মালবাহী ট্রাক রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে থাকা অটোরিক্সাকে সজোরে ধাক্কা দিলে ঘটনাস্থলেই এক পথচারী নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় অটোরিক্সার আরও চার যাত্রী গুরুতর আহত হয়েছেন।
সোমবার (২৮ জুলাই) সকাল সাড়ে ৬টার দিকে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ঢাকামুখী লেনের সোনাখালী এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত মায়া আলম (৪০) মৃত মজিবুর রহমানের ছেলে। তিনি উপজেলার সোনাখালী এলাকার বারাকপুর গ্রামের ভাড়াটিয়া এবং পেশায় একজন রাজমিস্ত্রী ছিলেন। তার পৈতৃক বাড়ি বরিশালের ভোলা জেলায় বলে নিশ্চিত করেছেন তার নিকটাত্মীয়রা।
আহত চারজন হলেন- উপজেলার বাপলুপুর এলাকার নুর ইসলামের ছেলে মো. শহিদ, সোনাখালী এলাকার ঈঙ্গু মিয়ার ছেলে মো. আলিনুর, সোনারগাঁজী এলাকার মৃত রশিদ আলীর ছেলে মো. টিকা খান এবং সোনাখালী এলাকার মুন্সুর আলীর ছেলে মো. সুরুজ মিয়া।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, সোমবার সকালে মহাসড়কের সোনাখালী এলাকায় ঢাকামুখী একটি মালবাহী ট্রাক হঠাৎ চালকের নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলে। এ সময় ট্রাকটি রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে থাকা একটি অটোরিক্সাকে সজোরে ধাক্কা দিলে সেটি মুহূর্তেই দুমড়ে-মুচড়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান পথচারী মায়া আলম। বিকট শব্দে আশপাশের লোকজন দ্রুত ছুটে এসে অটোরিক্সার ভেতরে থাকা চার যাত্রীকে রক্তাক্ত ও গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করেন। পরবর্তীতে তাদের দ্রুত স্থানীয় বারাকা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
দুর্ঘটনার খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই হাইওয়ে পুলিশ, থানা পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের টিম দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধারকাজ পরিচালনা করে।
এ বিষয়ে হাইওয়ে পুলিশের সার্জেন্ট আওলাদ হোসেন জানান, খবর পাওয়ার পর দ্রুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে এবং দুর্ঘটনাকবলিত ট্রাক ও অটোরিক্সাটি জব্দ করা হয়েছে। বর্তমানে মহাসড়কে যান চলাচল সম্পূর্ণ স্বাভাবিক রয়েছে।
নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। এ ঘটনায় পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।







