নারায়ণগঞ্জ । রবিবার
৮ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ,
২৫শে মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

জামায়াতে ইসলামীর জনপ্রিয়তা ক্ষুণ্ণ করার জন্য সাইবার অ্যাটাক শুরুঃ গোলাম পরওয়ার

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেছেন, বিএনপি, বঙ্গভবন ও ইন্ডিয়ার প্যাকেজে প্রোগ্রামের মাধ্যমে জামায়াতে ইসলামীর জনপ্রিয়তা ক্ষুণ্ণ করার জন্য সাইবার অ্যাটাক শুরু করেছে। নির্বাচনের আগে লেখা হচ্ছে। বঙ্গভবনের লোককে দিয়ে অ্যাকাউন্ট হ্যাক করা হয়। পোস্ট দেওয়া মাত্রই ছাত্রদল ঢাবিতে এক কর্মসূচি হাতে নেয়। আজ বুধবার দুপুরে নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জের শিমরাইল ট্রাক স্ট্যান্ড মাঠে এয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে আয়োজিত বিশাল জনসভায় তিনি এসব কথা বলেন।

‎তিনি বলেন, বিএনপি এখন বলে ফ্যামেলি কার্ড দিবে। এটা ভুয়া, ভুয়া। ভুয়া বলারও তো একটা লিমিট আছে। দেশে মানুষ আছে ১৮ কোটি অথচ তারা নাকি ৫০ কোটি কার্ড দিবেন। ভুলে গেলে চলবে না ইতিপূর্বে আপনারাই একবার ক্ষমতায় আসার আগে বলেছিলেন বেকার ভাতা দিবেন। সেই ভাতার রেজাল্ট কোথায়? মূলত আপনাদের এই আশ্বাস হচ্ছে শেখ হাসিনার ১০টাকার চাল খাওয়ানোর মতোন আশ্বাস। 

‎তারেক রহমানকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, বিএনপির নতুন সভাপতি তারেক রহমান তার এক বক্তৃতায় বলেছেন- জামায়াতও আওয়ামী লীগের সাথে যুক্ত ছিলেন। তখন আমরা কেনো পদত্যাগ করিনি? তারেক রহমানের ওই বক্তব্যের জবাবে আমাদের আমির বলেছেন, ওইসয়ম দুর্নীতির সাগরের মধ্যে জামায়াত যে সৎ থাকতে পারে সেজন্য আমাদের কেউ পদত্যাগ করে নাই। তখন সাধারণ মানুষকে ভুল বুঝানো হয়েছিল যে দাড়িওয়ালা টুপিওয়ালাদের দেশ পরিচালনা করার যোগ্যতা নাই। আমরা সেটির প্রমাণ দিয়েছি। 

গোলাম পরওয়ার বলেন, স্বাধীনতার পর গত ৫৪ বছর যারা এই দেশ শাসন করেছে তাদের এখন লালকার্ড দেখাতে হবে। তারা নৈতিকতা, দেশপ্রেম, সততায় আর মানবিকতায় ব্যর্থতা দেখিয়েছে। এ দেশকে আওয়ামী লীগ, বিএনপি ও জাতীয় পার্টি শাসন করেছে। এই তিন দলকে যদি প্রশ্ন করা হয়, রাষ্টক্ষমতায় থাকা অবস্থায় দুর্নীতি, দলীয়করণ, আর নির্যাতন করে নাই তখন তারা উত্তর দিতে পারবে না। এর অন্যতম কারণ প্রত্যেকটি দল শোষণ করেছে। তাই সেই শাসক পার্টিদের নিয়ে আর দেশ পরিচালনা চলবে না। 

তিনি বলেন, বর্তমানে মানুষকে বলে বেড়ানো হচ্ছে, দারিপাল্লায় ভোট দিলে নাকি পশ্চিম পাকিস্তান হয়ে যাবে। আবার বলে কেউ ভোট দিতে গেলে ঠ্যাঙ ভেঙ্গে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হচ্ছে। আসছে নির্বাচনের জন্য প্রত্যেকটি ভোটকেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা দেওয়ার দাবি জানিয়েছিলাম। আমাদের দাবিরে প্রেক্ষিতে বর্তমান সরকার সিসি ক্যামেরার অর্থ বরাদ্দ করেছেন। বডি ক্যামেরা থাকবে। আপনারা মনে রাখবেন- মাস্তান পার্টিরা কেউ কিছু করতে গেলেই ধরা খেয়ে যাবে। এই নির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েন থাকবে। সেনাবাহিনী, বিজিবি সবাই থাকবেন।

তিনি প্রতিশ্রুতি দেন, দেশের প্রতিটি ক্ষেত্রে দুর্নীতি মুক্ত করা হবে, নবজাতককে সুচিকিৎসা, মায়েদের জন্য স্বাস্থ্য সেবা, কৃষকদের ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত করা হবে এবং আগামীতে জামায়াতে আমির ড.শফিকুর রহমানের নেতৃত্বে সরকার গঠন করা হবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

সর্বশেষ >

এই বিভাগের আরও সংবাদ >