নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ের কাঁচপুরে গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণের ঘটনায় আর কেউই বেঁচে নেই। সকলেই এক এক করে পাড়ি জমিয়েছেন না ফেরার দেশে। দগ্ধ হওয়ার চার দিন পর বৃহস্পতিবার ভোরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান স্বামী শরীফ ও স্ত্রী রোজিনা। পরে ওইদি সকালে মারা যায় রোজিনার ভাই রিয়াজ। এদিকে শুক্রবার সকালে মারা যায় দুর্ঘটনা কবলিত বাড়িটির কেয়ারটেকার রনি। জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁদের মৃত্যু হয়। প্রতিষ্ঠানটির আবাসিক সার্জন চিকিৎসক সুলতান মাহমুদ শিকদার তাঁদের মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
চিকিৎসকের তথ্য অনুযায়ী, বিস্ফোরণে রোজিনার শরীরের ৬০ শতাংশ এবং শরীফের ৪০ শতাংশ, রিয়াজ ৪০ শতাংশ এবং রনি ৭০ শতাংশ পুড়ে গিয়েছিল। গুরুতর দগ্ধ অবস্থায় তাঁদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিলো।
উল্লেখ্য, গত শনিবার দিবাগত রাত আনুমানিক দেড়টায় নারায়ণগঞ্জের কাঁচপুরে গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণ দুই পরিবারের চারজন দগ্ধ হয়। তাঁদের শরীরের বিভিন্ন অংশ ৪০ থেকে ৭০ শতাংশ পর্যন্ত পুড়ে যায়।
এছাড়াও ওইদিন নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় রাসায়নিক দগ্ধ হয় দুই শ্রমিকএবং নগরীর দেওভোগ এলাকায় একটি বাড়িতে জমে থাকা গ্যাস থেকে বিস্ফোরণের ঘটনায় নারী-পুরুষসহ আরও তিনজন আহত হয়।





