বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য, নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপি’র সাবেক সভাপতি ও নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের বিএনপি দলীয় সাবেক সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মুহাম্মদ গিয়াসউদ্দিন বলেছেন,সমগ্র জাতি আমাদের প্রিয় নেতা বিএনপি’র প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে পেয়েছিল জাতির বিভিন্ন ক্রান্তিলগ্নে পথ দেখানোর জন্য। তাকে জনগণের প্রকৃত বন্ধু হিসেবে সেবা করার সুযোগ দিয়েছিলেন। সেই সততা, দৃষ্টতা তার প্রবা মানুষের যে অগাধ বিশ্বাস ছিল তিনি তা রক্ষা করেছেন। তিনি (জিয়াউর রহমান) দেশসেবা, দেশের কল্যাণে কাজ করেছেন নিঃস্বার্থভাবে।
এরপর নেতৃত্ব দিয়েছেন আমাদের প্রিয় দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া।তিনি তিনবার জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়ে, প্রধানমন্ত্রী হয়ে দেশের জন্য দেশের মানুষের কল্যাণে কাজ করেছেন। তিনি স্বৈরাচার ও অন্যায় বিরোধী আন্দোলন করেছেন কারো সাথে আপোষ করেননি। সেই জন্য তিনি (বেগম খালেদা জিয়া) সম্মানজনক উপাধি অর্জন
করেছেন আপোষহীন নেত্রী।
মঙ্গলবার (১১ নভেম্বর) বিকেলে ফতুল্লার ধর্মগঞ্জ চতলার মাঠ এলাকায় মরহুম স. ম. নুরুল ইসলাম স্মৃতি সংসদের আয়োজনে ফতুল্লা থানা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা মরহুম স. ম. নুরুল ইসলামের ২য় মৃতুবার্ষিকী উপলক্ষে স্মরণ সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
এসময় তিনি আরো বলেন, স. ম. নুরুল ইসলাম ভাই ছিলেন জাতীয় একজন বিপ্লবী নেতা। তিনি ছিলেন মহান মুক্তিযুদ্ধের একজন সিপাহসালার। তিনি ছিলেন সাংগঠনিক ব্যক্তি, একজন আতিথিপরায়ণ মানুষ। তিনি ছিলেন অনেক দলীয় নেতাদের শিক্ষা গুরু, সত্যনিষ্ঠ একজন ব্যক্তি। তিনি ছিলেন সামাজিক ব্যক্তি এবং ন্যায় বিচারক। তিনি আমাদের সাথে রাজনীতি করতে গিয়ে তার যে ভূমিকা পালন করে গেছেন, এই ভূমিকা থেকে আমার অভিজ্ঞতার আলোকে আমি বলতে চাই এমন সাংগঠনিক লোক আমাদের দলে এখন খুঁজে পাওয়া যাবে কিনা সন্দেহ আছে। এমন সাংগঠনিক লোক আগামীতে সহসা পাওয়া যাবে কিনা সেটাও কঠিন।
গিয়াসউদ্দিন আরো যুক্ত করেন, ভালো সৎ মানুষ যদি কেউ না হয় তার দ্বারা ভালো কাজ ও সৎ কাজ করা কোন ভাবেই সম্ভব নয়। আমরা যারা রাজনীতি করি প্রথম আমাদের পরিবর্তন আমাদেরকে হতে হবে। কারো মধ্যে যদি ভুল ত্রুটি থেকে থাকে এটা আমাদেরকে বিসর্জন দিতে হবে, ছেড়ে দিতে হবে। আমাদেরকে প্রথম ভালো হতে হবে। এরপর আমাদের দলটাকে ভালো করতে হবে। দলে যদি ভালো মানুষ না থাকে, ওই দল দিয়ে কি দেশের বা দেশের মানুষের কোন কল্যাণ করা যাবে? কোন ভালো কাজ করা যাবে? করা যাবে না, এটাই সত্যিকারের উত্তর। তাহলে ভালো মানুষ দিয়ে আমাদের দলটি গড়ে করতে হবে। খারাপ মানুষগুলোকে হয় বিদায় করতে হবে, না হয় খারাপ মানুষগুলোকে পরিবর্তন করে ভালো করে নিতে হবে।
ফতুল্লা থানা বিএনপির সাবেক সভাপতি অধ্যাপক খন্দকার মনিরুল ইসলামের সভাপতিত্বে ও এনায়েতনগর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মাহাবুবুর রহমান সুমনের সঞ্চালনায় উক্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ফতুল্লা থানা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি সুলতান মাহমুদ মোল্ল, সহ-সভাপতি আলাউদ্দিন খন্দকার শিপন, কবির প্রধান, নাজির আহম্মেদ নজির, নুর আলম, ফতুল্লা থানা বিএনপির যুগ্ম-সম্পাদক খন্দকার আক্তার হোসেন, সহ-সাধারণ সম্পাদক জামিল হোসেন খাঁন স্বাধীন, সিদ্ধিরগঞ্জ থানা বিএনপির সভাপতি মাজেদুল ইসলাম, সাবেক সাধারণ সম্পাদক এম, এ, হালিম জুয়েল, ফতুল্লা থানা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক হাসান আলী, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক সাইফুল ইসলাম বিপ্লব, শওকত আলী খাঁন জুম্মন, সিদ্ধিরগঞ্জ থানা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আকবর হোসেন, ফতুল্লা থানা বিএনপির সদস্য সিরাজউদ্দিন সিরাজ, ফতুল্লা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি হাসান মাহমুদ পলাশ, কুতুবপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি হাজী বিল্লাল হোসেন, কাশীপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মঈনুল হাসান রতন, নারায়ণগঞ্জ সদর থানা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোক্তার হোসেন, কাশীপুর ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম-সম্পাদক আশিক মাহমুদ সুমন ও আলীরটেক ইউনিয়ন বিএনপির সহ-সভাপতি জামাল হোসেনসহ বিএনপি’র নেতাকমীরা।





