ঢাকার রাজপথে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পদযাত্রায় অংশ নিয়ে দেশ ও জাতির শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনা করেন কুতুবপুরের চারবারের নির্বাচিত চেয়ারম্যান।
ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে রাজধানী ঢাকায় প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে আয়োজিত বর্ণাঢ্য পদযাত্রায় অংশগ্রহণ করেন নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থানাধীন কুতুবপুর ইউনিয়ন পরিষদের চারবারের নির্বাচিত চেয়ারম্যান ও বিএনপির সাবেক ফতুল্লা থানা সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব মনিরুল আলম সেন্টু। এ সময় তিনি ৭ নভেম্বরের ঐতিহাসিক তাৎপর্য তুলে ধরে দেশ ও জাতির কল্যাণ, শান্তি, সমৃদ্ধি এবং গণতন্ত্রের অগ্রযাত্রা কামনা করে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন।
বক্তব্যে মনিরুল আলম সেন্টু বলেন, ৭ নভেম্বর বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ একটি দিন। এই দিনটি আমাদের জাতীয় ঐক্য, স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও গণতান্ত্রিক অধিকার রক্ষার চেতনাকে স্মরণ করিয়ে দেয়। ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর সিপাহি-জনতার ঐতিহাসিক ঘটনাপ্রবাহ দেশের ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হয়ে রয়েছে। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের দেশপ্রেম, জাতীয়তাবাদী আদর্শ এবং ঐক্যের চেতনাকে ধারণ করে দেশকে এগিয়ে নিতে হবে।
তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে একটি সমৃদ্ধ, স্বনির্ভর ও বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকলেও দেশের স্বার্থ, মানুষের অধিকার এবং জাতীয় কল্যাণের প্রশ্নে আমাদের এক থাকতে হবে। দেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতির সুফল যেন সমাজের প্রতিটি শ্রেণি-পেশার মানুষের কাছে পৌঁছে যায়, সেটিই হওয়া উচিত আমাদের প্রত্যাশা।
নিজের নির্বাচনী এলাকা কুতুবপুর ইউনিয়নের জনগণের প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, দীর্ঘদিন ধরে কুতুবপুরের মানুষের ভালোবাসা ও সমর্থন নিয়ে জনপ্রতিনিধি হিসেবে কাজ করে আসছি। চারবার জনগণের ভোটে নির্বাচিত হওয়া আমার জন্য যেমন সম্মানের, তেমনি এটি একটি বড় দায়িত্ব। এলাকার সাধারণ মানুষের সুখ-দুঃখ, সমস্যা ও প্রত্যাশার সঙ্গে আমি সব সময় থাকতে চাই। কুতুবপুরের রাস্তাঘাট, ড্রেনেজ ব্যবস্থা, জলাবদ্ধতা নিরসন, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, পরিচ্ছন্নতা এবং নাগরিক সুযোগ-সুবিধার উন্নয়নে সবাইকে সঙ্গে নিয়ে কাজ করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, নারায়ণগঞ্জ জেলা ও ফতুল্লার মানুষের জীবনমান উন্নয়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, মাদক ও সন্ত্রাসমুক্ত সমাজ গঠন এবং সাধারণ মানুষের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠায় সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন। কোনো মানুষ যেন অবহেলিত না থাকে, কোনো অসহায় পরিবার যেন সহযোগিতা থেকে বঞ্চিত না হয়—এমন একটি মানবিক ও জনবান্ধব সমাজ প্রতিষ্ঠাই আমাদের লক্ষ্য হওয়া উচিত।

বক্তব্যের শেষ পর্যায়ে মনিরুল আলম সেন্টু দেশবাসীর প্রতি ঐক্য, সহনশীলতা ও সম্প্রীতি বজায় রাখার আহ্বান জানান। তিনি মহান আল্লাহর কাছে দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের সুরক্ষা, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু এবং দেশ ও জাতির সার্বিক কল্যাণ কামনা করেন। পাশাপাশি নারায়ণগঞ্জবাসীসহ কুতুবপুর ইউনিয়নের সর্বস্তরের জনগণের সুখ, শান্তি, নিরাপত্তা ও সমৃদ্ধি কামনা করেন।






