নিজস্ব প্রতিবেদক: নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থানাধীন কুতুবাইল ইউনিয়নের শিবু মার্কেট এলাকার কাইমের মসজিদ সংলগ্ন বিভিন্ন বহুতল ভবনে অবৈধ গ্যাস সংযোগ ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে একটি প্রভাবশালী চক্রের মাধ্যমে এসব ভবনে অবৈধভাবে গ্যাস সংযোগ চালু রাখা হয়েছে, যার ফলে বৈধ গ্রাহকরা নানা ধরনের ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কাইমের মসজিদ সামনে যেগুলি রয়েছে এলাকায় গড়ে ওঠা অধিকাংশ বহুতল ভবনে গ্যাসের নামমাত্র কয়েকটি বাড়িতে বৈধ সংযোগ থাকলেও বৈধ সংযোগ যে সমস্ত বাড়িতে আছে তাদের বৈধতা দুই একটি চুলা কিন্তু তারা সংযোগ চালাচ্ছে কেউ দশটি কেউ বারটি কেউ ১৫ টি কেউ ২০ কেউ ২৫ টি সংখ্যার তুলনায় অতিরিক্ত চুলা ব্যবহার করা হচ্ছে। অভিযোগ রয়েছে, কোনো কোনো ভবনে দুই থেকে চারটি বৈধ চুলার অনুমোদন থাকলেও সেখানে ২০-২৫টিরও বেশি চুলা ব্যবহার করা হচ্ছে। এতে গ্যাসের চাপ কমে যাওয়াসহ বৈধ গ্রাহকদের নানা সমস্যার সম্মুখীন হতে হচ্ছে।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, বিষয়টি নিয়ে একাধিকবার সংশ্লিষ্ট গ্যাস অফিসে অভিযোগ করা হলেও কার্যকর কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি। নারায়ণগঞ্জ আঞ্চলিক গ্যাস অফিসের (ডি জি এম) মশিউর রহমানের কাছেও বিষয়টি অবহিত করা হয়েছে বলে দাবি করা হলেও দুই মাস অতিবাহিত হলেও দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ দেখা যায়নি। এছাড়া ফতুল্লা গ্যাস অফিসের ম্যানেজার আতিকুর রহমানকেও একাধিকবার অবগত করা হলেও সমস্যার সমাধান মেলেনি বলে অভিযোগ করেন স্থানীয়রা।
সরেজমিনে এলাকাবাসীর সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, গ্যাস অফিসের কিছু অসাধু কর্মকর্তা-কর্মচারীর যোগসাজশে একটি চক্র বছরের পর বছর ধরে অবৈধ গ্যাস সংযোগের যারা গ্যাসের অবৈধ সংযোগ তাদের সাথে গোপনে তাদের লিয়াজু করে চালিয়ে যাচ্ছে, নাম না বলা একজন এলাকাবাসী জানিয়েছেন, অডিডে চাকরি করে তার , এবং তাকে সহযোগিতা করে ম্যানেজারের নিচের পোস্টের একটি লোক এবং সনাতন ধর্মী হিন্দু একজন এই তিনজন গ্যাস অফিসের কর্মকর্তারা জড়িত বলে জানিয়েছেন, জনমনে ধারণা তৈরি হয়েছে। তবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
স্থানীয়দের অভিযোগ অনুযায়ী, যেসব ভবনে অবৈধ সংযোগ থাকার অভিযোগ রয়েছে, সেগুলোর মালিকদের মধ্যে ইমান আলী, হোসেন, মিজান, শাহ আলম, রনি, হামিদ, আলী, সেলিম, মফিজ, মনির, এর নাম উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়াও আরও বেশ কয়েকটি ভবনে একই ধরনের অনিয়ম রয়েছে বলে দাবি করা হলেও সংশ্লিষ্ট মালিকদের পরিচয় নিশ্চিত করা যায়নি।
এ বিষয়ে এলাকাবাসী দ্রুত তদন্তের মাধ্যমে অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।







