নারায়ণগঞ্জ জেলার বন্দর থানাধীন মদনপুর এলাকায় র্যাব-১১ এর একটি বিশেষ মাদকবিরোধী অভিযানে ২০ কেজি গাঁজাসহ ৩ জন পেশাদার মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
উদ্ধারকৃত গাঁজা সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে সংগ্রহ করে নারায়ণগঞ্জ ও ঢাকায় সরবরাহের উদ্দেশ্যে আনা হয়েছিল বলে প্রাথমিক তদন্তে উঠে এসেছে।
র্যাব সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারী) মধ্যরাতে মিনিটে র্যাব-১১, সিপিএসসি, নারায়ণগঞ্জ-এর একটি আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বন্দর থানাধীন মদনপুর এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে।
অভিযানে ঘটনাস্থল থেকেই ২০ কেজি গাঁজাসহ ৩ জন মাদক ব্যবসায়ীকে হাতেনাতে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃত আসামীরা হলো: ১. মোঃ মিরাজ হোসেন মুন্না (২২) পিতা- মৃত আলী মর্তুজা, মাতা- উর্মি বেগম সাং- সাদিয়ানি, ডাকঘর- দেড়কটা থানা- চৌদ্দগ্রাম, জেলা- কুমিল্লা ২. মোঃ মাঈন উদ্দিন (২৭) পিতা- মোঃ রবিউল, মাতা- জাহানারা বেগম সাং- গোবিন্দপুর থানা- ফেনী সদর, জেলা- ফেনী ৩. মোঃ রাকিব (২০) পিতা- কবির আহম্মদ, মাতা- বিবি ফাতেমা সাং- মাছিমপুর, ডাকঘর- দলিয়া
থানা- ফেনী সদর, জেলা- ফেনী।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তারকৃত আসামীরা স্বীকার করেছে, তারা পরস্পর যোগসাজশে দীর্ঘদিন ধরে সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে গাঁজা সংগ্রহ করে ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জের বিভিন্ন এলাকায় মাদক ব্যবসায়ীদের কাছে পাইকারি ও খুচরা মূল্যে বিক্রি করে আসছিল।
র্যাব-১১ সূত্রে আরও জানা গেছে, গ্রেপ্তারকৃত আসামীদের ব্যবহৃত মোবাইল ফোন ও সিমকার্ড জব্দ করা হয়েছে।
তাদের মোবাইল নাম্বারের কললিস্ট, কল ট্র্যাকিং ও যোগাযোগ নেটওয়ার্ক বিশ্লেষণ করে কার শেল্টারে তারা অবস্থান করছিল, কার নির্দেশে গাঁজা বহন করছিল, কার কাছে এই গাঁজা সরবরাহের উদ্দেশ্যে আনা হয়েছিল এসব গুরুত্বপূর্ণ তথ্য উদঘাটনের চেষ্টা চলছে।
র্যাবের এক দায়িত্বশীল কর্মকর্তা জানান, “আমরা বিশ্বাস করি, কললিস্ট ও ডিজিটাল তথ্য বিশ্লেষণের মাধ্যমে খুব শিগগিরই পুরো মাদক সিন্ডিকেট ও শেল্টারদাতাদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা সম্ভব হবে।”
র্যাব-১১ এর পক্ষ থেকে জানানো হয়, মাদকের মতো ভয়াবহ সামাজিক ব্যাধির বিরুদ্ধে তাদের অভিযান চলমান থাকবে।
সমাজকে মাদকমুক্ত রাখতে র্যাব-১১ কোনো ধরনের ছাড় না দিয়ে ধারাবাহিকভাবে অভিযান পরিচালনা করে যাবে।
গ্রেপ্তারকৃত আসামীদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট আইনে মামলা দায়েরসহ প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। তদন্তের স্বার্থে অভিযুক্তদের রিমান্ড চেয়ে নারায়ণগঞ্জ জেলা আদালতে পাঠানো হবে বলে জানা গেছে।







