বন্দরে মাদ্রাসার সপ্তম শ্রেণীর ছাত্রী (১৫)কে ধর্ষনের চেষ্টার ঘটনায় হৃদয় (৩৫) নামে এক লম্পটকে আটক করে পুলিশে সোর্পদ করছে স্থানীয় জনতা। গ্রেপ্তারকৃত লম্পট হৃদয় বন্দর উপজেলার মদনপুর ইউনিয়নের উত্তর চাঁনপুর হেদায়েতপাড়া এলাকার মনির হোসেন মিয়ার ছেলে। ধর্ষনের চেষ্টার ঘটনায় ভূক্তভোগী মাদ্রাসা ছাত্রী পিতা বাদী হয়ে গ্রেপ্তারকৃত লম্পট হৃদয়কে আসামী করে বন্দর থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে এ মামলা দায়ের করেন। গ্রেপ্তারকৃতকে উল্লেখিত মামলায় রোববার (৩০ আগস্ট) দুপুরে আদালতে প্রেরণ করেছে পুলিশ। এর আগে গত শনিবার (১৯ আগস্ট) রাত ৯টায় বন্দর উপজেলার মদনপুর ইউনিয়নের উত্তর চাঁনপুর হেদায়েতপাড়া রশিদা মহিলা মাদ্রাসার দক্ষিণ পাশে জনৈক বাদল মিয়ার টিনসেড ঘরে এ ঘটনাটি ঘটে।
জানা গেছে, মামলার বাদী দীর্ঘ দিন ধরে
বন্দর উপজেলা মদনপুর উত্তর চাঁনপুর হেদায়েতপাড়া রশিদা মহিলা মাদ্রাসার দক্ষিণ দক্ষিণ পাশে (জনৈক বাদল মিয়ার বাড়ীতে টিনসেড বাসার ভাড়াটিয়া হিসেবে বসবাস করে আসছে। বাদিনী মেয়ে ভিকটিম (১৫) রশিদা মহিলা মাদ্রাসার সপ্তম শ্রেণীতে লেখাপড়া করে আসছিল। বাদী পেশায় একজন অটোচালক। বাদীর স্ত্রী মদনপুর স্ট্যান্ডে অবস্থিত জাহিন গার্মেন্টসে চাকুরী করে। প্রতিদিনের ন্যায় গত শনিবার (২৯ আগস্ট) বাদীর স্ত্রী গার্মেন্টসে নাইট ডিউটি করতে চলে যায়। পরবর্তীতে রাত অনুমান ৯টায় বাদী ও তার মেয়ে ভিকটিম (১৫) প্রতিদিনের ন্যায় রাতের খাবার শেষে আমাদের ভাড়াটিয়া ঘরে ঘুমিয়ে পরি। ওই সুযোগে লম্পট হৃদয়
ভাড়াটিয়া বাসার পার্টিশনের উপরে থাকা ফাঁকা জায়গা দিয়ে কৌশলে বাদীর মেয়ের রুমে প্রবেশ করে অবৈধ ভাবে তার যৌনকামনা চরিতার্থ করার উদ্দেশ্যে রুমে ফ্লোরের বিছানায় ঘুমিয়ে থাকা বাদীর মেয়েকে ঝাপটে ধরে ধর্ষণের চেষ্টা করে। তখন বাদীর মেয়ে উচ্চস্বরে ডাক চিৎকার করিলে বিবাদী কৌশলে রুম হইতে দরজা খুলে পালানোর চেষ্টাকালে স্থানীয় এলাকাবাসী লম্পট হৃদয়কে আটক করে পুলিশে সোর্পদ করে।





