নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট আব্দুল্লাহ আল আমিন বলেছেন, ত্বকী হত্যা থেকে শুরু করে সাত খুন পর্যন্ত নারায়ণগঞ্জের আলোচিত অনেক ঘটনার সঙ্গে ওসমান পরিবারের সংশ্লিষ্টতা পরিলক্ষিত হয়েছে।
সোমবার (২৭ এপ্রিল) জেলা ও দায়রা জজ আদালত প্রাঙ্গণে নারায়ণগঞ্জ জেলা আইনজীবী সমিতির উদ্যোগে আলোচিত সাত খুন মামলার ১২ বছর পূর্তি উপলক্ষে মানববন্ধন কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে একথা বলেন তিনি।
বক্তব্যে তিনি অতীতের বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড ও গুমের প্রসঙ্গ তুলে ধরে বলেন, বিগত সময়ে দেশে এক ধরনের অপসংস্কৃতি তৈরি হয়েছিল, যেখানে মানুষ ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত হয়েছে। আমরা সেই জায়গা থেকে বের হয়ে আসতে চাই।
সাত খুনের ঘটনায় নিহত আইনজীবী চন্দন কুমার সরকার-এর প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, চন্দন কুমার সরকার নিজের বিবেকের তাড়নায়, পেশাগত দায়িত্ব থেকে অপরাধের প্রমাণ রাখতে চেয়েছিলেন। অত্যন্ত দুঃখজনক যে, এই সততা ও সাহসিকতার কারণেই তাকে প্রাণ দিতে হয়েছে।
আইনজীবীদের ভূমিকাও তুলে ধরে তিনি বলেন, অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেনের নেতৃত্বে আইনজীবীরা তৎকালীন রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে ভিকটিমদের পরিবারকে আইনি সহায়তা দিয়েছেন। নারায়ণগঞ্জের আইনজীবীরা যেভাবে অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছেন, তা একটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।
তিনি আরও বলেন, বিচারহীনতার সংস্কৃতি ভাঙতে আমরা কাজ করে যাচ্ছি। অতীতের মতো ভবিষ্যতেও ন্যায়বিচারের দাবিতে আইনজীবীদের পাশে থাকবো।
মানববন্ধনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন। এছাড়াও জেলার বিভিন্ন পর্যায়ের আইনজীবী, রাজনৈতিক কর্মী ও সচেতন নাগরিকরা কর্মসূচিতে অংশ নেন।






