নারায়ণগঞ্জের বন্দরের তিনগাঁও এলাকার সৌদি প্রবাসী রনিকে দেয়া হলো মাদকের মামলা। রনি তিনগাও এলাকার পঙ্গু লোকমান হোসেনের পুত্র। এর আগে নির্যাতিত নারী সাংবাদিক লিপিকে সহায়তা করেনি ওসি জামাল উদ্দীন।নারী সাংবাদিকের পক্ষে নিউজ করায় মব সৃষ্টি করে সাংবাদিককে মিথ্যা চাদাবাজীর মামলার অপচেষ্টাকারী এই ওসি জামাল উদ্দিন। অহরহ সাংবাদিকদের সাথে অশুভাচরন করছে ওসি জামাল উদ্দিন, নেপত্তে এক সাংবাদিক নেতা রয়েছে বলে জানা যায়।
তথ্য সুত্রে, এই মাসের ১০ তারিখে তিলগাঁও এলাকায় অভিযান চালিয়ে চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী ও আওয়ামী লীগের দোসর ফোর্স শাহ আলমকে মাদকসহ গ্রেফতার করে বন্দর থানা পুলিশ। সেই মামলায় ষড়যন্ত্র মূলক ভাবে সৌদি আরব থেকে চিকিৎসার জন্য দেশে আসা রনিকে তিন নম্বর আসামি করা হয়েছে। বন্দর থানার মামলা নম্বর- (১৬)১০-১১-২৬।
অথচ প্রবাসী রনি দীর্ঘদিন যাবত সৌদি আরবে জীবনে জীবিকার প্রয়োজনে অবস্থান করে আসছেন। তার নামে বিগত দিনেও কোন ধরনের কোন অভিযোগ কিংবা অপরাধ করার কোন নজির নেই। এমনকি রনির পিতা দীর্ঘদিন যাবত পঙ্গু অবস্থায় জীবন যাপন করছেন। পঙ্গু হয়েও তিনি সবসময় আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং সংবাদ কর্মীকে বিভিন্নভাবে তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করে আসছেন।
তার মতে, তথ্য দেয়ার কারণেই পুলিশের কিছু অসাধু কর্মকর্তার যোগ সাজসে তার ছেলের রনিকে মিথ্যা মাদকের মামলা দিয়ে হয়রানি করছেন। সেই সাথে তিনি জেলা পুলিশ সুপার মোঃ হাবিবুর রহমানের কাছে দাবী জানিয়েছেন , যে সমস্ত অসাধু পুলিশ কর্মকর্তা কিংবা সোর্স তার ছেলেকে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করছে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য তিনি অনুরোধ জানিয়েছেন।
পঙ্গু লোকমান হোসেনের কথা শুনে নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা পুলিশ সুপার মোঃ হাবিবুর রহমান এই মামলাটি তদন্ত করার জন্য দায়িত্ব দিয়েছেন জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তারেক আল মেহেদীকে।
স্থানীয়রা জানিয়েছেন, পঙ্গু লোকমান হোসেন দীর্ঘদিন যাবত একটি পা হারিয়ে মানবতার জীবন যাপন করছেন। তার ছেলে রনি দীর্ঘদিন যাবত সৌদি আরবে কাজ করে আসছেন। সৌদিরব থেকে অসুস্থ হলে রনি গত পাঁচ অক্টোবর বাংলাদেশে আসেন চিকিৎসার জন্য। বর্তমানে তার অপারেশন শেষ হওয়ার পর তিনি তার বাড়িতে অবস্থান করছেন। অথচ সৌদি প্রবাসীকে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করছেন বন্দর থানা দারোগা লুৎফুর ও ওসি জামাল উদ্দিন। অতি দ্রুত এই মামলা প্রত্যাহার না হলে কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দেয়ার স্থানীয় বাসিন্দারা।



