হত্যার পর জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ ফোন করে পুলিশকে খবর দেন স্বামী। গাজীপুরের শ্রীপুরে আট মাসের অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীকে কুপিয়ে ও গলা কেটে হত্যার অভিযোগ উঠেছে স্বামীর বিরুদ্ধে।
হত্যার পর জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ ফোন করে পুলিশকে খবর দেন স্বামী। পরে তাকে আটক করে পুলিশ।
রোববার রাত সাড়ে ১১টার দিকে রাজাবাড়ি ইউনিয়নের চিনাশুকানিয়া গ্রামের বড়চালা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে বলে শ্রীপুর থানার ওসি মোহাম্মদ শাহীনুর আলম জানান।
নিহত ২৫ বছর বয়সী সীমা রানী দাস রাজাবাড়ি ইউনিয়নের চিনাশুকানিয়া গ্রামের ঘাতক স্বামী উদ্ভবের স্ত্রী। উদ্ভব (২৫) একই গ্রামের নকুল দাসের ছেলে।
ঘরের বিভিন্ন স্থানে রক্তের দাগ দেখে সেখানে ধস্তাধস্তির আলামত পাওয়া গেছে বলে জানায় পুলিশ। স্থানীয়দের ভাষ্য, পারিবারিক কলহের জেরে তাদের মধ্যে প্রায়ই ঝগড়া হতো।
ওসি মোহাম্মদ শাহীনুর আলম বলেন, “দুজনই প্রেম করে বিয়ে করেছিলেন। এটি ছিল তাদের দুজনেরই দ্বিতীয় বিয়ে। সীমা রানী আগের পক্ষের সন্তানকে নিয়ে দ্বিতীয় স্বামীর সঙ্গে গাজীপুরে বসবাস করতেন। বিয়ের কয়েক মাস পর থেকেই তাঁদের মধ্যে পারিবারিক ও দাম্পত্য কলহ শুরু হয়।”
“স্ত্রীকে হত্যার পর জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ ফোন করে পুলিশকে খবর দেন উদ্ভব। পরে ঘটনাস্থল থেকে সীমার রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার ও উদ্ভবকে আটক করে পুলিশ। চিকিৎসক জানিয়েছেন, সীমার গর্ভের সন্তানটিও মারা গেছে।”
নিহতের পুরো শরীর এবং মাথায় আঘাতের চিহ্ন দেখা গেছে জানিয়ে এ পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।





