বন্দর প্রতিনিধি: বন্দরে জমি কিনে দেওয়ার নাম করে প্রথম স্ত্রী কাছ থেকে নগদ ২১ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়াসহ উল্টা তালাকের পাঁয়তারার ঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের হয়েছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী ৩ সন্তানের জননী মাসুমা আক্তার বাদী হয়ে বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) দুপুরে প্রতারক প্রবাসী স্বামী মোহাম্মদ আলী, শ্বাশুড়ি হাসনক বানু, ও ননদ ইয়াসমিনসহ ৪ জনের নামে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে।
অভিযোগের তথ্য সূত্রে জানা গেছে, গত ২২ বছর পূর্বে বন্দর উপজেলার দাঁশেরগাওস্থ পরাগনগর এলাকার আব্দুল মান্নান মিয়ার মেয়ে মাসুমা বেগমের সাথে একই এলাকার মৃত ইসরাফিল মিয়ার ছেলে মোহাম্মদ আলী ইসলাম শরিয়ত মোতাবেক বিয়ে হয়। বিয়ের পর তাদের সংসারে একজন কন্যা সন্তান ও ২ জন পুত্র সন্তান রয়েছে।
অভিযোগের ৩নং বিবাদী স্বামী মোহাম্মদ আলী বর্তমানে সৌদি আরব প্রবাসে রয়েছে । গত ১২ বছর পূর্বে ৩নং বিবাদী প্রতারক স্বামী জমি ক্রয় করার জন্য বাদিনীর নিকট টাকা চাইলে ওই বাদিনী তার পিত্রালয় থেকে প্রতারক স্বামী
৩নং বিবাদীকে ৭ লক্ষ টাকা প্রদান করে। বাদিনী বড় ভাই মোঃ তাইজুল (৩৮) মালোয়েশিয়া থাকাকালীন সময়ে বাদিনী ব্যাংক একাউন্টে ১৪ লক্ষ) টাকা রাখে।৩নং বিবাদী প্রতারক স্বামী বাদিনীর কাছ থেকে ১৪ লক্ষ টাকা হাওলাত চাইলে বাদিনী তার ব্যাংক একাউন্ট থেকে ১৪ লক্ষ টাকা উত্তেলন করে ৩নং বিবাদীর ব্যাংক একাউন্টে প্রদান করে। ৩নং বিবাদী বাদিনীর কাছ থেকে সঅবমোট ২১ লক্ষ্য টাকা হাওলাত নিয়ে দীর্ঘদিন আতবাহিত হয়ে গেলেও উক্ত টাকা ফেরত না দিয়ে বিভিন্ন তালবাহানা করে আসছে। ৩নং বিবাদীর কাছে বাদিনী তার পাওনা টাকা ফেরত চাইলে শ্বাশুড়ি হানা বানু, ননদ ইয়াসমিন ও খালাত ভাসুর জসিমের কুপরামর্শে ৩নং বিবাদী গত ৩ বছর যাবত অভিযোগের বাদিনীসহ তার সন্তানদের ভরনপোষন দেয়া বন্ধ করে দেয়। উল্লেখিত শ্বাশুড়ী, ননদ ও খালাত ভাসুর জসিমের কুপরামর্শে ৩নং বিবাদী মোহাম্মদ আলী অভিযোগের বাদিনীকে রেখে আরো ২টি বিবাহ করে এবং বাদিনীকে তালাক প্রদান করার পায়তারা করে। এ বিষয়ে স্থানীয় এলাকার গন্যমান্য ব্যাক্তি নিলুফা ইয়াসমিন (৬৫) বিচার শালিস করে মিমাংসা করার চেষ্টা করলে বিবাদীগণ বাদিনীসহ নিলুফা ইয়াসমিন (৬৫) কে ২০,০০,০০০/- (বিশ লক্ষ) টাকা চাঁদা দাবীর মিথ্যা অপবাদ দিয়ে সমাজে হেয় প্রতিপন্ন করে। এ ব্যাপারে প্রতিবাদ করলে বিবাদী শ্বাশুড়ী, ননদ ও খালাত ভাসুর জসিম অভিযোগের বাদিনীকে প্রানে মেরে ফেলার হুমকি প্রদান করে আসছে। বিবাদীগণ আইন অমান্যকারী খারাপ প্রকৃতির লোক। তারা যে কোন সময়ে বাদিনীসহ তার সন্তানদের বড় রকমের ক্ষতিসাধনের আশংকা প্রকাশ করছে। অভিযোগটি সুষ্ঠ তদন্ত করে দোষিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য বন্দর থানার ওসি জামাল উদ্দিনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছে ভূক্তভোগী ও তার সন্তানরা।



