নারায়ণগঞ্জ ।
,

সেপ্টেম্বরেই চালু হচ্ছে এক্সপ্রেসওয়ে, যানজটমুক্ত হবে নারায়ণগঞ্জ

বিকেল গড়াতেই নারায়ণগঞ্জের পঞ্চবটি মোড়, একদিকে সারিবদ্ধ ট্রাক, কাভার্ডভ্যান ও যাত্রীবাহী বাস, অন্যদিকে শিল্পকারখানায় কর্মরত শ্রমিকদের কর্মস্থল থেকে বাড়ি পৌঁছানোর ব্যস্ততা। দীর্ঘ যানজট যেন এ সড়কের প্রতিদিনের চিত্র। তবে সেই চিত্র বদলে যাওয়ার অপেক্ষায় এখন লাখো মানুষ। মাথার ওপর প্রায় সম্পূর্ণ দৃশ্যমান এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের শেষ মুহূর্তের কাজ চলছে। প্রকল্প সংশ্লিষ্টদের আশা, আগামী সেপ্টেম্বরেই চালু হবে মূল উড়াল অংশ। আর ডিসেম্বরের মধ্যেই শেষ হবে পুরো প্রকল্পের নির্মাণকাজ।

প্রায় এক দশক ধরে এই সড়কে যানজট যেন নিত্যদিনের বাস্তবতা। ভোর থেকে গভীর রাত পর্যন্ত ছোট,বড় সকল যানবাহনের চাপে কয়েক কিলোমিটার পথ পাড়ি দিতেই লেগে যায় ঘণ্টার পর ঘণ্টা। বিশেষ করে বিসিক শিল্পনগরী, সিমেন্ট কারখানা, কোল্ড স্টোরেজ এবং রপ্তানিমুখী শিল্পপ্রতিষ্ঠানের কারণে এই সড়কটি দেশের অন্যতম ব্যস্ত শিল্প করিডোরে পরিণত হয়েছে। দীর্ঘদিনের এই যানজট, শিল্পাঞ্চলের পণ্য পরিবহনে ধীরগতি এবং দক্ষিণাঞ্চলের সঙ্গে সড়ক যোগাযোগের ভোগান্তি দূর করতে নির্মিত হচ্ছে নারায়ণগঞ্জের এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে উড়াল সড়ক।

প্রায় ৩ হাজার ৩১৮ কোটি ৭৯ লাখ টাকা ব্যয়ে বাস্তবায়নাধীন এই বৃহৎ অবকাঠামো প্রকল্পের মূল উড়াল অংশ আগামী সেপ্টেম্বরের মধ্যেই যান চলাচলের জন্য খুলে দেওয়ার প্রস্তুতি চলছে। আর চলতি বছরের ডিসেম্বরের মধ্যে পুরো প্রকল্পের নির্মাণকাজ সম্পন্ন হবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা বলছেন, প্রকল্পটি চালু হলে শুধু নারায়ণগঞ্জ ও মুন্সীগঞ্জের যোগাযোগ ব্যবস্থাই নয়, দেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের সড়ক নেটওয়ার্কেও গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আসবে। রাজধানীতে প্রবেশ না করেই চট্টগ্রাম, সিলেট ও পূর্বাঞ্চল থেকে দক্ষিণাঞ্চলগামী যানবাহন সরাসরি এই করিডোর ব্যবহার করতে পারবে। এতে সময়, জ্বালানি ও পরিবহন ব্যয় কমবে, পাশাপাশি যানজটও উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পাবে।

প্রকল্পটি শুরু হয় ২০২১ সালের জানুয়ারিতে। প্রাথমিকভাবে ২০২৫ সালের জুনের মধ্যে কাজ শেষ করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছিল এবং ব্যয় ধরা হয়েছিল ২ হাজার ৬৫৯ কোটি টাকা। তবে ভূমি অধিগ্রহণ, ইউটিলিটি লাইন স্থানান্তর, নকশাগত পরিবর্তন ও বাস্তবায়ন-সংক্রান্ত বিভিন্ন জটিলতায় প্রকল্পের মেয়াদ বাড়িয়ে ডিসেম্বর ২০২৬ সাল পর্যন্ত করা হয়। একই সঙ্গে ব্যয়ও বেড়ে দাঁড়ায় ৩ হাজার ৩১৮ কোটি ৭৯ লাখ টাকা। বর্তমানে প্রকল্পের ভৌত অগ্রগতি ৯৬ শতাংশের বেশি। মূল এলিভেটেড অংশের পিলার, গার্ডার ও ডেক নির্মাণ শেষ হয়েছে। এখন চলছে বিটুমিন, লাইটিং, কার্পেটিং, র‌্যাম্প সংযোগ, টোল প্লাজা ও অন্যান্য সমাপ্তির কাজ।

প্রকল্পের আওতায় প্রায় ১০ দশমিক ৮১ কিলোমিটার সড়ক উন্নয়ন করা হচ্ছে। এর মধ্যে রয়েছে ৮ দশমিক ৬৮ কিলোমিটার দীর্ঘ দুই লেনের এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে, ৫টি র‌্যাম্প, ৫টি টোল প্লাজা, ৭টি এক্সেল লোড কন্ট্রোল স্টেশন, প্রশস্ত সংযোগ সড়ক, ড্রেনেজ ব্যবস্থা, ট্রাক স্ট্যান্ড এবং নন-মোটরাইজড যানবাহনের জন্য পৃথক পার্কিং সুবিধা।

পঞ্চবটি মোড়ে যানজট কমাতে ফতুল্লা ও চাষাঢ়ামুখী ছয় লেনের সংযোগ সড়ক নির্মাণ করা হচ্ছে। এ ছাড়া তৃতীয় শীতলক্ষ্যা সেতু থেকে মুক্তারপুর পর্যন্ত বিদ্যমান সড়ক চার লেনে উন্নীত করা হচ্ছে। এই করিডোরের দুই পাশে বিসিক শিল্পনগরীসহ প্রায় এক হাজার শিল্পপ্রতিষ্ঠান রয়েছে। প্রতিদিন প্রায় চার-পাঁচ লাখ শ্রমিক এই সড়ক ব্যবহার করেন। মুক্তারপুর এলাকায় রয়েছে একাধিক সিমেন্ট কারখানা, কোল্ড স্টোরেজ ও ভারী শিল্পপ্রতিষ্ঠান। ফলে প্রতিদিন হাজার হাজার পণ্যবাহী ট্রাক ও কাভার্ডভ্যান, যাত্রীবাহী বাস, বিভিন্ন ছোট-বড় যানবাহন এই রুট দিয়ে চলাচল করে।

বর্তমান সড়কটি সরু ও যানবাহনের তুলনায় অপ্রতুল হওয়ায় প্রায়ই দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। অনেক সময় শিল্পকারখানার পণ্য পরিবহনে অতিরিক্ত সময় ব্যয় হওয়ায় উৎপাদন ও সরবরাহ ব্যবস্থাও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তার পাশাপাশি সাধারণ মানুষের চলাচলেও চরম ভোগান্তি পোহাতে হয়। সংশ্লিষ্টদের মতে, নতুন এক্সপ্রেসওয়ে চালু হলে শিল্পপ্রতিষ্ঠানের কাঁচামাল ও প্রস্তুত পণ্য দ্রুত পরিবহন সম্ভব হবে, তা ছাড়া সাধারণ মানুষের চলাফেরায় ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। প্রকল্পের সম্ভাব্যতা সমীক্ষা অনুযায়ী, এক্সপ্রেসওয়েটি চালু হলে এই রুটে ভ্রমণের সময় প্রায় ৬২ দশমিক ৮৯ শতাংশ কমে আসবে। যানবাহনের গড় গতি প্রায় ৪ দশমিক ৪৫ গুণ বৃদ্ধি পাবে এবং যানজটজনিত বিলম্ব প্রায় ৭৪ দশমিক ৭৪ শতাংশ পর্যন্ত কমবে।

পঞ্চবটি, কাশিপুর, গোগনগর, চর সৈয়দপুর ও মুক্তারপুর এলাকার বাসিন্দারা বলছেন, নির্মাণকাজের সময় ধুলাবালি, যানজট ও দুর্ভোগ পোহাতে হলেও প্রকল্পটি চালু হলে তার সুফল বহু বছর ধরে পাওয়া যাবে।

প্রতিদিন এই সড়ক ব্যবহার করেন ট্রাকচালক মো. আব্দুল করিম। দীর্ঘদিনের যানজটে অতিষ্ঠ এই চালক বলেন, পঞ্চবটি থেকে মুক্তারপুর পর্যন্ত কয়েক কিলোমিটার পথ পার হতে অনেক সময় এক থেকে দেড় ঘণ্টা লেগে যায়। বিশেষ করে সকালে ও বিকেলে পরিস্থিতি আরও খারাপ থাকে। এক্সপ্রেসওয়ে চালু হলে সময় যেমন বাঁচবে, তেমনি জ্বালানি খরচও কমবে। এতে পরিবহন খাতের আমরা সবাই উপকৃত হবো।

বিসিকের একজন গার্মেন্টস কর্মী রুবিনা আক্তার বলেন, প্রতিদিন অফিসে যাওয়া-আসার সময় যানজটে আটকে থাকতে হয়। অনেক সময় নির্ধারিত সময়ে আমাদের কর্মস্থলে পৌঁছানো সম্ভব হয় না। প্রকল্পটি চালু হলে আমাদের মতো হাজারো শ্রমিকের যাতায়াত সহজ হবে বলে আশা করছি।

মুক্তারপুর এলাকার ব্যবসায়ী মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, নির্মাণকাজ চলাকালে ধুলাবালি ও যানজটের কারণে ব্যবসায় কিছুটা প্রভাব পড়েছিল। তবে আমরা এটিকে সাময়িক অসুবিধা হিসেবেই দেখেছি। কারণ প্রকল্প চালু হলে ক্রেতাদের যাতায়াত বাড়বে, পণ্য পরিবহন সহজ হবে এবং ব্যাবসাও বাড়বে।

বাসচালক মো. নুরুল ইসলাম বলেন, যানজটের কারণে একটি ট্রিপ শেষ করতে অতিরিক্ত সময় লাগে। এতে জ্বালানি খরচ বাড়ে, আবার নির্ধারিত সময়ে গন্তব্যে পৌঁছানোও কঠিন হয়ে পড়ে। নতুন এক্সপ্রেসওয়ে চালু হলে এসব সমস্যা অনেকটাই কমবে বলে আশা করছি।

স্থানীয় বাসিন্দা নাসরিন আক্তার বলেন, নির্মাণকাজের সময় কিছুটা ভোগান্তি হয়েছে। তবে কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে দেখে আমাদের ভালোই লাগছে। যদি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে চালু হয়, তাহলে এই এলাকার বাসিন্দা হিসেবে আমাদের বহুদিনের দুর্ভোগ কমে যাবে।

পরিবহন সংশ্লিষ্ট ও সাধারণ মানুষের মতে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রকল্পটি চালু হলে এটি শুধু নারায়ণগঞ্জ ও মুন্সীগঞ্জের যোগাযোগ ব্যবস্থার নয়, দেশের শিল্প ও বাণিজ্যিক পরিবহন ব্যবস্থারও অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো হিসেবে আত্মপ্রকাশ করবে। দীর্ঘদিনের যানজটের দুর্ভোগ থেকে মুক্তি মিলবে লাখো মানুষ ও শিল্পখাতের। এ ছাড়া ভবিষ্যতে এই সড়কে দৈনিক যানবাহনের সংখ্যা কয়েকগুণ বাড়লেও নতুন অবকাঠামো সেই চাপ সামাল দিতে সক্ষম হবে বলে মনে করছেন প্রকৌশলীরা।

পরিবহন ও নগর পরিকল্পনা সংশ্লিষ্টদের মতে, শুধু এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণ করলেই হবে না, এর সঙ্গে সংযোগ সড়ক, টোল ব্যবস্থাপনা, ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ এবং নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণও সমান গুরুত্বপূর্ণ। এসব বিষয় কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন করা গেলে প্রকল্পটি নারায়ণগঞ্জ, মুন্সীগঞ্জ এবং দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের যোগাযোগ ব্যবস্থায় দীর্ঘমেয়াদি ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।

প্রকল্পের মধ্যে রয়েছে পঞ্চবটি থেকে তৃতীয় শীতলক্ষ্যা সেতু পর্যন্ত প্রায় ছয় কিলোমিটার অ্যাট-গ্রেড সড়ক উন্নয়ন; তৃতীয় শীতলক্ষ্যা সেতু থেকে মুক্তারপুর পর্যন্ত প্রায় ৩ দশমিক ৭৫ কিলোমিটার সড়ক চার লেনে উন্নীতকরণ; মুক্তারপুর সেতুর দক্ষিণ প্রান্তে ৪৪৩ মিটার চার লেন সড়ক। ১৭ দশমিক ৬১ কিলোমিটার ড্রেন নির্মাণ; ৫টি টোল প্লাজা, ৭টি এক্সেল লোড (ওজন) স্কেল, ট্রাক স্ট্যান্ড, পার্কিং এবং কাশিপুর ও গোগনগর সেতুর প্রশস্তকরণ। এ ছাড়া চর সৈয়দপুরে তৃতীয় শীতলক্ষ্যা সেতুর সংযোগস্থলে একটি গোলচত্বর নির্মাণ করা হচ্ছে। সেখানে টোল প্লাজা ও ওজন পরিমাপক স্টেশন থাকবে। নিচের সড়ক সাধারণ যানবাহনের জন্য উন্মুক্ত থাকলেও এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে ব্যবহারে নির্ধারিত টোল পরিশোধ করতে হবে।

প্রকল্প সংশ্লিষ্টদের মতে, পঞ্চবটি-মুক্তারপুর এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে শুধু একটি সড়ক প্রকল্প নয়; এটি ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ ও মুন্সীগঞ্জের অর্থনৈতিক কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করবে। একই সঙ্গে শিল্পাঞ্চল, বন্দর, কোল্ড স্টোরেজ, সিমেন্ট কারখানা এবং দক্ষিণাঞ্চলের সঙ্গে জাতীয় সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থায় নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করবে। সেপ্টেম্বরে মূল এলিভেটেড অংশ চালু এবং ডিসেম্বরের মধ্যে পুরো প্রকল্পের সমাপ্তি ঘটলে বহুদিনের ভোগান্তির অবসান ঘটিয়ে এই করিডোর দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ শিল্প ও বাণিজ্যিক যোগাযোগ পথে পরিণত হবে।

এ বিষয়ে প্রকল্পের ডেপুটি টিম লিডার প্রকৌশলী জহুরুল হক এশিয়া পোস্টকে বলেন, নির্মাণাধীন পঞ্চবটি-মুক্তারপুর এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে প্রকল্পের কাজ নির্ধারিত পরিকল্পনা অনুযায়ী এগিয়ে চলছে। বর্তমানে প্রকল্পের প্রায় ৯৩.২৫ শতাংশ কাজ সম্পন্ন হয়েছে। মূল এলিভেটেড অংশের সব ধরনের কাঠামোগত নির্মাণ শেষ হয়েছে। এখন সেখানে লাইটিং, বিটুমিন (অ্যাসফল্ট) কার্পেটিংয়ের কাজ চলমান রয়েছে, যা আগামী এক মাসের মধ্যেই সম্পন্ন করার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছি।

তিনি বলেন, এরপর সংযোগ সড়ক, র‌্যাম্প এবং সংশ্লিষ্ট অবকাঠামোর অবশিষ্ট কাজ শেষ করতে আরও প্রায় দুই মাস সময় লাগবে। সবকিছু পরিকল্পনা অনুযায়ী এগোলে আগামী সেপ্টেম্বরের মধ্যেই এলিভেটেড অংশটি যান চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করা সম্ভব হবে এবং চলতি বছরের ডিসেম্বরের মধ্যেই পুরো প্রকল্পের শতভাগ কাজ সম্পন্ন হবে, এতে নারায়ণগঞ্জ ও মুন্সিগঞ্জের মধ্যে যাতায়াত আরও সহজ, দ্রুত ও নির্বিঘ্ন হবে।

প্রকল্প পরিচালক (পিডি) ওহিদুজ্জামান জানান, ২০২১ সালে অনুমোদিত এ প্রকল্পের আওতায় পঞ্চবটি থেকে মুক্তারপুর পর্যন্ত সড়ক উন্নয়ন, এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে, ট্রাক স্ট্যান্ড ও ড্রেনেজ সুবিধা নির্মাণ করা হচ্ছে। শুরুতে প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছিল ২ হাজার ২২৮ কোটি টাকা, পরে তা দাঁড়ায় ২ হাজার ৬৫৯ কোটি টাকায়। জমির দাম বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে ভূমি অধিগ্রহণের ব্যয় ৮৩৬ কোটি টাকা থেকে বেড়ে প্রায় ১ হাজার ৪০০ কোটি টাকায় পৌঁছানোর কারণে বিশেষ সংশোধন করা হয়। সংশোধিত ডিপিপিতে প্রকল্পের ব্যয় বৃদ্ধি পেয়ে ৩ হাজার ৩১৮ কোটি ৭৯ লাখ টাকায় দাঁড়ায়।

তিনি আরও জানান, এলিভেটেড অংশের মূল নির্মাণকাজ শেষ হয়েছে। বর্তমানে ব্ল্যাকটপ, রোড মার্কিং, এক্সপ্যানশন জয়েন্ট, সৌর স্ট্রিট লাইট ও টোল প্লাজার কাজ চলছে। ইতোমধ্যে ৫৮৬টি সৌর স্ট্রিট লাইটের মধ্যে প্রায় ২৭০টি স্থাপন করা হয়েছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে আগস্টের শেষ বা সেপ্টেম্বরের শুরুতে এলিভেটেড অংশ চালুর লক্ষ্য নিয়ে কাজ চলছে। আর চলতি বছরের ডিসেম্বরের মধ্যে পুরো প্রকল্পের সব কাজ শেষ করে যান চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করা হবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও সংবাদ >