ফতুল্লায় মোবাইল ফোন কিনে না দেওয়ায় বাবাকে দা দিয়ে কুপিয়ে রক্তাক্ত জখম করার অভিযোগে সালমান (২০) নামের এক যুবককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গুরুতর আহত কামাল মিয়া (৪৫) বর্তমানে ঢাকার ধানমন্ডিস্থ “পপুলার” নামের একটি বেসরকারি হাসপাতালে আইসিইউতে চিকিৎসাধীন রয়েছেন বলে জানা গেছে।
ঘটনাটি ঘটেছে মঙ্গলবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে ফতুল্লা মডেল থানার ভুইগড় বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন স মিল গলি এলাকায়।
বুধবার দুপুরে অভিযুক্ত সালমানকে গ্রেফতার করে পুলিশ।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কামাল মিয়া ও তার ছেলে সালমান ভুইগড় বাজারে কাঁচামাল (তরকারি) বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করতেন।
গত কয়েকদিন ধরে সালমান তার বাবার কাছে একটি মোবাইল ফোন কিনে দেওয়ার জন্য চাপ সৃষ্টি করে আসছিল। কিন্তু আর্থিক অসচ্ছলতার কারণে কামাল মিয়া মোবাইল কিনে দিতে অপারগতা প্রকাশ করেন। এ নিয়ে মঙ্গলবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২ টার দিকে বাবা-ছেলের মধ্যে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়।
একপর্যায়ে ক্ষিপ্ত হয়ে সালমান ঘরে থাকা একটি বটি দিয়ে তার বাবার ওপর হামলা চালায়। এতে কামাল মিয়ার মাথা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর জখম হয়। তার চিৎকারে আশপাশের লোকজন ছুটে এসে তাকে উদ্ধার করে প্রথমে শহরের খানপুর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।
বর্তমানে ধানমন্ডিস্থ “পপুলার” নামের একটি বেসরকারি হাসপাতালে আইসিইউতে চিকিৎসাধীন রয়েছেন বলে জানা গেছে।
খবর পেয়ে ফতুল্লা মডেল থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত সালমানকে গ্রেফতার করে।
এ বিষয়ে ফতুল্লা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মাহাবুবুর আলম জানান,আর্থিক লেনদেন ও মোবাইল সংক্রান্ত ঘটনায় বাবাকে কুপিয়েছে।
আশংকাজনকবস্থায় বাবা বর্তমানে
ধানমন্ডিস্থ “পপুলার” নামের একটি বেসরকারি হাসপাতালে আইসিইউতে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
সংবাদ পেয়ে পুলিশ ছেলে সালমান কে গ্রেফতার সহ বটি উদ্ধার করে থানায় নিয়ে এসেছে। স্থানীয়দের নিকট থেকে জানা গেছে ছেলেটি মাদকাসক্ত। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।








