নারায়ণগঞ্জ । বুধবার
২০শে মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ,
৬ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নেইমারকে নিয়ে ব্রাজিলের বিশ্বকাপ দল গঠন।

বিশ্বকাপ দল ঘোষণার আগে সবচেয়ে বড় প্রশ্ন ছিল একটাই—দলে থাকছেন কি না Neymar। শেষ পর্যন্ত সব জল্পনার অবসান ঘটিয়ে ব্রাজিলের স্কোয়াডে জায়গা পেয়েছেন এই তারকা ফরোয়ার্ড। এর মধ্য দিয়ে নতুন কোচ Carlo Ancelotti পরিষ্কার করে দিলেন, বড় মঞ্চে অভিজ্ঞতার মূল্য এখনো তাঁর কাছে সর্বোচ্চ।

দীর্ঘদিন জাতীয় দলের বাইরে থাকার পরও নেইমারের প্রত্যাবর্তন শুধু আবেগের সিদ্ধান্ত নয়, বরং কৌশলগতও। কারণ, Vinícius Júnior ও Raphinha ক্লাব ফুটবলে দুর্দান্ত খেললেও জাতীয় দলে এখনো ধারাবাহিক নন। ফলে আক্রমণের নেতৃত্বে নেইমারের উপস্থিতি দলের জন্য বাড়তি আত্মবিশ্বাস হয়ে উঠতে পারে।

আনচেলত্তির ঘোষিত ২৬ সদস্যের স্কোয়াডে স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে অভিজ্ঞতার ছাপ। ২০২২ বিশ্বকাপে খেলা একাধিক ফুটবলারকে আবারও দলে রাখা হয়েছে। রক্ষণভাগে Marquinhos ও গ্যাব্রিয়েলকে ঘিরে পরিকল্পনা সাজানো হয়েছে, আর মাঝমাঠে আস্থা রাখা হয়েছে Casemiro ও ব্রুনো গিমারেসদের ওপর। দানিলো ও অ্যালেক্স সান্দ্রোর মতো অভিজ্ঞ খেলোয়াড়দের অন্তর্ভুক্তিও সেই বার্তাই দিচ্ছে।

গোলকিপার বিভাগেও দেখা গেছে একই দর্শন। তরুণদের বদলে ৩৮ বছর বয়সী ওয়েভারতনের ওপর ভরসা রেখেছেন আনচেলত্তি। অভিজ্ঞ এই গোলরক্ষক এর আগে অলিম্পিক সোনা জয়ের পাশাপাশি বিশ্বকাপ স্কোয়াডেও ছিলেন।

তবে দলটি কেবল অভিজ্ঞদের নিয়েই গড়া হয়নি। আক্রমণভাগে তরুণ শক্তিকেও গুরুত্ব দিয়েছেন ইতালিয়ান কোচ। Endrick, লুইস হেনরিক, রায়ান ও ইগর থিয়াগোর মতো ফুটবলারদের অন্তর্ভুক্তি ইঙ্গিত দিচ্ছে, ম্যাচের গতিপথ বদলে দেওয়ার মতো বিকল্পও প্রস্তুত রাখতে চান আনচেলত্তি।

সব মিলিয়ে এবারের Brazil national football team আগের মতো কেবল ঝলমলে তারকানির্ভর নয়; বরং অভিজ্ঞতা, ভারসাম্য ও বাস্তবতার ওপর দাঁড়ানো একটি দল। সবচেয়ে বড় প্রশ্ন অবশ্য থেকেই যাচ্ছে—নেইমারের ফিটনেস এবং আক্রমণভাগের ধারাবাহিকতা। তবে আনচেলত্তির অধীনে ব্রাজিলকে এখন আগের চেয়ে অনেক বেশি সংগঠিত ও পরিণত বলেই মনে করছেন বিশ্লেষকেরা।

সংবাদটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও সংবাদ >