সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ফরিদপুর থানায় আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে বিষয়টি নিশ্চিত করেন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মঞ্জুরুল হাসান মাসুদ।
ব্রিফিংয়ে ওসি জানান, হাদল ইউনিয়নের প্রত্যন্ত ও বিল অধ্যুষিত এলাকায় সর্বহারা ও নকশালপন্থী সশস্ত্র কয়েকটি গোষ্ঠীর তৎপরতা রয়েছে। তারা সাধারণ মানুষকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে খাল-বিল ও জলাশয় দখল, ভূমি দখল, চাঁদাবাজি, লুটতরাজ, চুরি ও ছিনতাইসহ নানা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত।
এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে এর আগে কয়েক দফা গোলাগুলি, এমনকি হত্যা ও গুমের ঘটনাও ঘটেছে। এসব ঘটনায় ফরিদপুর থানায় অস্ত্র ও হত্যাসহ একাধিক মামলা রয়েছে।
তিনি আরও জানান, গত ২৯ আগস্ট ফরিদপুর থানায় যোগদানের পর থেকেই তিনি হাদল ইউনিয়নের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কঠোর অবস্থান নেন। সম্প্রতি একটি সশস্ত্র গ্রুপ সেখানে অস্ত্র ও গোলাবারুদ মজুত করছে এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে প্রযুক্তির সহায়তায় রোববার রাতে কুচলিয়া এলাকায় স্থানীয়দের সহায়তায় ব্যাপক তল্লাশি চালানো হয়।
রাত সাড়ে ১১টার দিকে বটগাছের নিচে লুকিয়ে রাখা একটি বস্তার সন্ধান মেলে। পরে বস্তাটি খুলে চায়না রাইফেলের ১৫ রাউন্ড তাজা গুলি, একটি চাপাতি, একটি বাটযুক্ত ছুরি এবং বিভিন্ন আকারের তিনটি ধারালো দা উদ্ধার করা হয়। এছাড়া এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে স্থানীয় একটি নৌকাবাইচ প্রতিযোগিতা সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।
প্রেস ব্রিফিংকালে ফরিদপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আরিফুল ইসলাম, এসআই আশরাফুল ইসলামসহ পুলিশের অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।




