নারায়ণগঞ্জ ।
,

নিজের বোনকে নিয়মিত ধর্ষণের ঘটনায় হত্যা করা হয় মানিককে

পঞ্চগড় সদর উপজেলার অমরখানা ইউনিয়নের ঐতিহাসিক মহারাজার দিঘি থেকে গতকাল উদ্ধার হওয়া মানিক হোসেনের (১৯) মৃত্যুর রহস্য উদঘাটনের দাবি করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি। এ ঘটনায় নিহতের বড় বোন (২৪) ও একই এলাকার শাহাবুদ্দিন (৪৯) নামে দুজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এছাড়া নিহতের বড় বোন আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।

পঞ্চগড় জেলা পুলিশের পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, দীর্ঘদিন ধরে মানিক তার বড় বোনকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করতেন এবং গোপনে ধারণ করা ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে নিয়মিত নির্যাতন চালাতেন। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে বড় বোন প্রতিশোধ নেওয়ার পরিকল্পনা করেন।

পুলিশের দাবি, পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী ঘুমের ওষুধ মিশিয়ে পানি পান করিয়ে মানিককে অচেতন করা হয়। পরে তার কোমরে পলিথিনে মোড়ানো একটি চিরকুট গুঁজে দেওয়া হয়। এরপর সহযোগী শাহাবুদ্দিন তাকে হত্যা করে মরদেহ মহারাজার দিঘিতে ফেলে দেন।

ডিবি পুলিশের তদন্তে উদ্ধার হওয়া চিরকুটের লেখার সঙ্গে নিহতের বড় বোনের শয়নকক্ষ থেকে উদ্ধার করা একটি ক্যালেন্ডারের লেখার মিল পাওয়া যায়। পরে জিজ্ঞাসাবাদে তিনি হত্যাকাণ্ডে নিজের সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেন বলে প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।

এ বিষয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) ফরহাদ হোসেন বলেন, “তদন্তে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, দীর্ঘদিনের জোরপূর্বক শারীরিক নির্যাতনের ক্ষোভ থেকেই এ হত্যাকাণ্ডের পরিকল্পনা করা হয়। এ ঘটনায় দুজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।”

সংবাদটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও সংবাদ >