নারায়ণগঞ্জ ।
,

বন্দরে চাঁদাবাজ রুখতে এমপি সহ বন্দর থানা পুলিশের কঠোর হস্তক্ষেপ কামনা 

বন্দরে আকিজ এসেনশিয়ালের গাড়ি থামিয়ে বিএনপির  নাসু-রমজানের বেপরোয়া চাঁদাবাজিতে অতিষ্ঠ।  চাঁদাবাজির ঘটনায় অভিযুক্ত কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি বন্দর থানা পুলিশ। থানা পুলিশের অভিযান চললেও অপরাধীরা ডোন্ট কেয়ার মোডে। আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে বন্দর থানা পুলিশের পরিদর্শক গোলাম মোক্তার আশরাফের জরুরী কঠোর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন সচেতন মহল।

সূত্র মতে, ​নারায়ণগঞ্জের বন্দরে আকিজ এসেনশিয়াল লিমিটেডসহ স্থানীয় শিল্পপ্রতিষ্ঠানের মালামাল বহনকারী যানবাহনে বেপরোয়া চাঁদাবাজি, চালকদের মারধর এবং প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, এই চাঁদাবাজির মূল হোতা হিসেবে মোঃ নাসু ও রমজানসহ বিএনপির কিছু স্থানীয় কর্মীর নাম উঠে এসেছে। রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে দীর্ঘদিন ধরে চলা এই চাঁদাবাজির কারণে চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন চালক ও শ্রমিকরা।

​ভুক্তভোগী কোম্পানি ও চালকদের সূত্রে জানা গেছে, আকিজ এসেনশিয়ালের মালামাল বহনকারী যানবাহনগুলো যখন এসিআই মোড় এবং সোমবারিয়া বাজার হতে লক্ষণখোলা উত্তর পর্যন্ত চলাচল করে, তখন প্রতিনিয়ত একদল চাঁদাবাজ গাড়ি থামিয়ে মোটা অঙ্কের চাঁদা দাবি করে। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে চালকদের গলায় রামদা ঠেকিয়ে ও গাড়িতে কোপ দিয়ে আতঙ্ক সৃষ্টি করা হয়।

​চালকদের ওপর নির্মম নির্যাতন, ” ​সম্প্রতি চালক আলমগীর, ইমরান, মনিরুল (ডিভিআর) এবং ইব্রাহীমসহ বেশ কয়েকজন চালকের কাছ থেকে জোরপূর্বক টাকা ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছে এবং তাদের ওপর নির্মম শারীরিক নির্যাতন চালানো হয়েছে।

​এই বিষয়ে আকিজ এসেনশিয়াল লিমিটেডের এএসও মোঃ বদরুল ইসলাম বন্দর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

​প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা, “​প্রতিষ্ঠানের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন,​”এই চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড আজকের নয়, এটি প্রতিদিনের ঘটনা। আমরা যদি আমাদের ড্রাইভার ও শ্রমিকদের ন্যূনতম নিরাপত্তা দিতে না পারি, তবে বাধ্য হয়ে গ্রুপ অব কোম্পানির এই প্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধ করে দিতে হবে।”

​উদ্ভূত পরিস্থিতিতে পণ্য খালাস (লোড-আনলোড) সচল রাখা এবং জানমালের নিরাপত্তার স্বার্থে বর্তমান স্থানীয় সংসদ সদস্য (এমপি), তাঁর সুপুত্র ও নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আবুল কাওসার আশা এবং নারায়ণগঞ্জের পুলিশ সুপারের (এসপি) জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী ও শ্রমিকরা। একই সাথে বন্দর থানা পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে উক্ত এলাকায় কঠোর নজরদারি ও জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতারের দাবি জানানো হয়েছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও সংবাদ >