কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে দুর্বৃত্তের গুলি ও ধারালো অস্ত্রের আঘাতে নিহত কন্টেন্ট ক্রিয়েটর রাকিবুল ইসলাম রাকিবের মরদেহের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়েছে।
সোমবার (১৬ মার্চ ) দুপুরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে ময়নাতদন্ত করেন ফরেনসিক মেডিসিন বিভাগের চিকিৎসকরা। এরপর মৃতদেহ স্বজনদের কাছে বুঝিয়ে দেয়া হয়।

এর আগে লাশের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করেন শাহবাগ থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. মিঠু ফকির। প্রতিবেদনে তিনি উল্লেখ করেন, রাকিবের ডান চোখের পিছনে চিপে একটি ছিদ্র এবং পিঠের বাম পাশে ও ডান পাশে দুটি ছিদ্র জখম রয়েছে। এ ছাড়া তার বাম কানের পেছনে, কপালে, বুকের ডান পাশে, পেটে ও পিঠে ধারালো অস্ত্রের বেশ কিছু গুরুতর জখম রয়েছে। দুর্বৃত্তদের গুলি ও ধারালো অস্ত্রের আঘাতে তার মৃত্যু হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয় সুরতহাল প্রতিবেদনে।
এদিকে, মর্গে নিহতের স্ত্রী হাবিবা আক্তার বলেন, তারা থাকেন চানখারপুল। রবিবার ইফতারের পর রাকিবের বড় ভাই গুলিস্তান এসে তার সঙ্গে ফোনে কথা বলেন। তখন রাকিব ভাইকে চানখারপুল আসতে বলেন। সন্ধ্যা ৭টার পর রাকিব বাসা থেকে বের হয়ে বড় ভাইকে চানখারপুল থেকে নিয়ে শহীদ মিনারে যান। সেখানে আড্ডা দেওয়ার সময় কেউ একজন তাকে ডেকে পাশে নিয়ে যায়। এরপরই কয়েকজন মিলে গুলি করে ও কুপিয়ে তাকে মেরে ফেলেছে।
তিনি বলেন, কারা এই ঘটনা ঘটিয়েছে তা আমি বলতে পারছি না। তবে এক সপ্তাহ আগে তার কাছে ফোন এসেছিল একটি পণ্যের বিজ্ঞাপন করে দিতে। তারা রাকিবকে বিজ্ঞাপনের জন্য ২০ হাজার টাকা দিতে চায় এবং সেজন্য খিলগাঁও যেতে বলে। তবে অপরিচিত হওয়ায় রাকিব সেখানে যেতে রাজি হয়নি। পণ্য চানখারপুল পাঠিয়ে দিতে বলে। তবে তারা তা দেয়নি। এরপর আরেকটি নম্বর থেকে ফোন দিয়ে এইভাবে উত্তরা যেতে বলে। এরপর কথায় কথায় তাদের মধ্যে বাকবিতণ্ডা হয়। সেসময় ফোনের ওপাশ থেকে রাকিবকে দেখে নেওয়ার হুমকি দিয়েছিল।
তিনি আরও বলেন, এর বাইরে মাসখানেক আগে রাকিবের একটি কন্টেন্টে কমেন্ট করা নিয়ে খুলনার এক মেয়ে কন্টেন্ট ক্রিয়েটরের স্বামীর সঙ্গে কিছুটা ঝামেলা হয়। তবে কারা এই হত্যার সঙ্গে জড়িত তা বলতে পারেননি স্ত্রী হাবিবা।






