নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে জমি ক্রয়ের নামে প্রতারণা ও লাখ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ তুলে সংবাদ সম্মেলন করেছেন এক ভুক্তভোগী পরিবার। পাওনা টাকা না পাওয়ায় অসুস্থ বোনের চিকিৎসা বন্ধ হয়ে গেছে বলে সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী। ৮ মে শুক্রবার উপজেলার বাগবের এলাকায় এ সংবাদ সম্মেলন করা হয়।
আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন বাগবের এলাকার ভুক্তভোগী রুবলে মিয়া।
লিখিত বক্তব্যে তিনি অভিযোগ করেন, তার বাবা-মায়ের মালিকানাধীন বাগবের মৌজার আর.এস ১৯৪ নম্বর দাগের জমি ১৮.৭৫ শতাংশ জমি ছিলো। ফর্টিস এসেটস লিমিটেডের লোকজন আমাদের চাপ প্রয়োগ করে জমি বিক্রি করতে বাধ্য করেন। আমরা ফর্টিস এসেটস লিমিটেডের কাছে ১৮.৭৫ শতাংশ বিক্রি করি। সেখা ৩.৭৫ শতাংশ জমির নামজারি না থাকায় ৫ লাখ টাকা বাকি রেখে নামজারি হওয়ার পর বাকি টাকা দিবে বলে ফর্টিস এসেটস লিমিটেডের সঙ্গে চুক্তি হয়। আমি জমি নামজারি করে ফর্টিস এসেটস লিমিটেডের কাছে গেলে বিভিন্ন সময় টাকা পরিশোধের আশ্বাস দিলেও দীর্ঘদিন ধরে তাদের পাওনা টাকা পরিশোধ করা হচ্ছে না। উল্টো নানা অজুহাতে সময় পার করা হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, আমরা এখন আর্থিক সংকটে জীবনযাপন করছি। আমার বোন গুরুতর অসুস্থ। টাকার অভাবে তার চিকিৎসা বন্ধ হয়ে গেছে। পরিবার নিয়ে চরম কষ্টে দিন পার করছি। পাওনা টাকা পেলে অন্তত বোনের চিকিৎসাটা চালিয়ে যেতে পারতাম। সংবাদ সম্মেলনে দাবি করা হয়, জমি ক্রয়ের সময় চুক্তি অনুযায়ী পুরো টাকা পরিশোধ না করে একটি অংশ আটকে রাখা হয়। পরে বাকি টাকা পরিশোধের প্রতিশ্রুতি দিলেও আজ পর্যন্ত তা পরিশোধ করা হয়নি। টাকা চাইতে গেলে কোম্পানির লোকজন খারাপ আচরণ ও হয়রানি করছে বলে অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী।
প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য সংবাদ সম্মেলন করতে বাধ্য হয়েছেন তারা। এ ঘটনায় প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ, সুষ্ঠু তদন্ত এবং তাদের পাওনা টাকা দ্রুত আদায়ের দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী পরিবার। পাশাপাশি অসুস্থ বোনের চিকিৎসার বিষয়টি মানবিক দৃষ্টিতে বিবেচনা করার আহ্বানও জানান তারা।
তবে এ বিষয়ে ফর্টিস এসেটস লিমিটেডের সঙ্গে মুটোফোনে যোগাযোগ করার জন্য চেষ্টা করলে কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।




