বন্দর থানা বিএনপি সভাপতি হাজী শাহেন শাহ আহমেদের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসী লালন পালনের গুরুতর অভিযোগ পাওয়া গেছে। গত রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) বন্দর থানার বিএনপি ব্যানারে একটি বিক্ষোভ মিছিলে থানার সভাপতি শাহেন শাহ সাথে চিহ্নিত সন্ত্রাসী ও একাধিক হত্যা মামলার আসামী কাজল প্রধানকে সামনের সাঁড়ি দেখা গেছে। এ ঘটনায় বন্দরের তৃনমূল নেতাকর্মীদের মাঝে চাপা ক্ষোভ বিরাজ করছে।
তৃনমূলের নেতাকর্মীরা ক্ষোভ প্রকাশ করে জানিয়েছে, শাহেন শাহ আহমেদের বলয় ভারী করতে মিছিল-সমাবেশে বিতর্কিত লোকজনদের আনা হচ্ছে। আর সেই লোকবলের সারিতে হত্যা মামলার আসামীসহ মাদক ব্যবসায়ী, কিশোর গ্যাংয়ের সদস্য ও বিভিন্নভাবে বিতর্কিত ব্যক্তিদের বিভিন্ন মিছিল মিটিংএ দেখা যাচ্ছে । নেতাদের এমন শক্তি প্রদর্শনের প্রতিযোগিতায় ক্ষুব্ধ দীর্ঘদিনের ত্যাগী ও রাজপথের পরীক্ষিত কর্মীরা।
আগামী দিনের নেতৃত্বে নিজেদের অবস্থান জানান দিতে এখন বিভিন্ন কর্মসূচি ও শোডাউনে সক্রিয় হচ্ছে হত্যা মামলার আসামীরা ।
মহানগর নেতাদের কাছে নিজের জনপ্রিয়তা ও সাংগঠনিক শক্তি প্রমাণ করতে হত্যা মামলার আসামী কাজল প্রধানসহ মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের যুক্ত করা হচ্ছে। পাশাপাশি তাদের সঙ্গে যোগ হচ্ছে কিশোর গ্যাংয়ের সদস্য ও বিভিন্ন অপরাধে জড়িত একটি অংশ।
রাজপথে হামলা-মামলা ও নানা প্রতিকূলতা মোকাবিলা করা ত্যাগী কর্মীরা পিছনে পড়ে থাকছেন। আর নিজেদের মিছিল বড় করতে সামনে আনা হচ্ছে কিশোর গ্যাং, অপরাধপ্রবণ ও বিতর্কিত ব্যক্তিদের।
পরিক্ষিত নেতাকর্মীদের মাইনাস করে সন্ত্রাসী, মাদক কারবারি ও কিশোর গ্যাংকে যুক্ত করার কারনে ত্যাগী কর্মীদের মধ্যে হতাশা আরো বাড়ছে।
একই সঙ্গে মাদক ব্যবসায়ী, কিশোর গ্যাং সদস্য, অপরাধপ্রবণ ও বিতর্কিত ব্যক্তিদের রাজনৈতিক কর্মসূচিতে যুক্ত করার প্রবণতা বন্ধ করা না গেলে সংগঠনের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন হচ্ছে।





