বন্দরে অটো গ্যারেজের অন্তরালে তাঁতীলীগ নেতা মাসুম পারভেজের বিরুদ্ধে চোরাই অটো বেঁচা-কেনার অভিযোগ উঠেছে। আন্তঃজেলা অটো চোর চক্রের সদস্য মাসুম, ধামগড় ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ সহ সভাপতি ও কামতাল এলাকার আলী হোসেন খোকা মিয়ার ছেলে।
এলাকাবাসী সূত্রে জানাগেছে, মাসুম কামতাল এলাকার চিহ্নিত আওয়ামীলীগ পরিবারের সক্রিয় সদস্য। পারিবারিক ভাবে দলীয় প্রভাবে এলাকায় নানা অপকর্ম ছিল বহাল তবিয়তে। ৫ আগস্টের পর অর্থের বিনিময়ে এমপি পূত্র আবুল কাউসার আশার সঙ্গে ছবি তুলে ফেইসবুকে পোস্ট করে বনে যায় বিএনপি নেতা। তার পর থেকে নানা অপরাধ কর্মকাণ্ডে বেপরোয়া হয়ে উঠে তাঁতীলীগ মাসুম। নব্য বিএনপি নেতা মাসুমের অত্যাচারে অতিষ্ট স্থানীয় বিএনপির তৃণমূল প্রবীন নেতাকর্মীরা।
এছাড়াও সাধারণ মানুষের জমির মাটি কেটে ইটভাটায় বিক্রি করে, ওই মাটি বিক্রির টাকায় জমি বালু দিয়ে ভরাট না করেই ওই জমানো টাকায় এলাকায় গড়ে তুলে একটি গ্যারেজ। ওই গ্যারেজের আড়ালে গড়ে তুলেছে এক ব্যাটারী চালিত আটো চোর সিন্ডিকেট। সংঘবদ্ধ অটো চোর চক্রটি সোনারগাঁও সহ বিভিন্ন এলাকা থেকে অটো চুরি করে এনে মাসুমের নিজের গ্যারেজে রেখে বেচা-কেনা করে আসছে। বর্তমানে মাসুমের গ্যারেজে কাগজপত্র বিহীন ৮/১০ অটোরিকশা রয়েছে বলে এলাকাবাসী জানিয়েছেন।
ধামগড় ইউনিয়ন পরিষদ ৪ নং ওয়ার্ড সদস্য সফুরউদ্দিন সহ একাধিক ভুক্তভোগী জানান, মাসুম চোরাই অটো রেখে এলাকায় নিজস্ব ড্রাইভার দিয়ে ভাড়ায় চালাচ্ছে। এমনবস্থায় সফুরউদ্দিন মেম্বারের বাড়ির সামনে একটি চোরাই অটোর প্রকৃত মালিক নিজের অটো চিনে ফেলে এলাকাবাসীর সহায়তা চালককে আটক করে রাখে। পরে সফুরউদ্দিন মেম্বারের মধ্যস্থতায় অটোর প্রকৃত মালিককে অটো ফেরত দেওয়া হয়েছিল। এসময় কামতাল তদন্ত কেন্দ্রের পুলিশ উপস্থিত ছিলেন বলে জানাগেছে।
সোনারগাঁও পৌরসভা এলাকার অটো চালক আলমগীর জানান, উদ্বোবগঞ্জ এলাকা থেকে যাত্রীবেশি তিনজন উঠে মজুর সঙ্গে মিশিয়ে অচেতনাশক দ্রব্য খাইয়ে আমাকে অজ্ঞান করে অটো নিয়ে যায়। দুইদিন পর সোনারগাঁও থানা পুলিশের মাধ্যমে মাসুমের গ্যারেজ থেকে অটোটি উদ্ধার করে আনা হয়।
এ ব্যাপারে তাঁতীলীগ নেতা মামুমের সাথে যোগাযোগর চেষ্টা করে তার কোন বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
মাসুমের গ্যারেজে রাখা কাগজপত্র বিহীন চোরাই অটো উদ্ধার করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য র্যাবের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এলাকাবাসী।



