বন্দর প্রতিনিধি: বন্দরে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির চরম অবনতি ঘটেছে। গত ফেব্রুয়ারি থেকে এপ্রিল পর্যন্ত ঙৃএই আড়াই মাসে উপজেলায় অন্তত দুটি হত্যাকাণ্ড, তিনটি ধর্ষণ, একটি দুর্ধর্ষ ডাকাতি ও ছিনতাইসহ অসংখ্য চুরির ঘটনা ঘটেছে। একের পর এক অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে স্থানীয় জনমনে চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, গত ৫ ফেব্রুয়ারি বন্দরের লাউসার এলাকার একটি খাল থেকে আরমান (২০) নামের এক যুবকের লাশ উদ্ধার করা হয়।
এরপর ২৮ ফেব্রুয়ারি ধামগড়ের জাঙ্গাল এলাকায় দুলাল মিয়া নামে এক ব্যক্তিকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনা ঘটে। এছাড়া ২৩ মার্চ চাঁদা না পেয়ে এক ভাঙ্গারি ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে জখম করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। ১২ ফেব্রুয়ারি চাঁদাবাজির অভিযোগে বিএনপির ৬ নেতাকর্মীর নামে মামলাও দায়ের করা হয়।
সম্প্রতি নারী ও শিশু নির্যাতনের ঘটনা উদ্বেগজনক হারে বেড়েছে। ২৮ ফেব্রুয়ারি বন্দরে রেলওয়ে স্টেশন এলাকায় এক তরুণী ধর্ষণের শিকার হন। গত ১৩ এপ্রিল দেউলী এলাকায় চতুর্থ শ্রেণির এক স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ করা হয়। এ ছাড়া ১৬ এপ্রিল মুছাপুরের চিড়ইপাড়া এলাকায় ৫ম শেণির ছাত্রীকে কুকুর ছানা দেখানোর কথা বলে ঘরের পিছনে নিয়ে ধর্ষণ করে আসিফ নামের এক যুবক।
পেশাদার অপরাধীদের পাশাপাশি এলাকায় বেড়েছে ছিনতাই ও ডাকাতি। ২৩ ফেব্রুয়ারি লক্ষণখোলা এলাকায় এক বিকাশ কর্মীকে গুলি করে ৩ লাখ টাকা ছিনিয়ে নেয় দুর্বৃত্তরা। গত ১১ এপ্রিল বিমানবন্দর থেকে বাড়ি ফেরার পথে মদনপুর এলাকায় ডাকাতদলের কবলে পড়ে সর্বস্ব হারান এক সৌদি প্রবাসী যুবক।
সর্বশেষ গত শনিবার (২৫ এপ্রিল) রাত সাড়ে ৯টায় বন্দর থানার ফরাজিকান্দা কবরস্থান সংলগ্ন উপেজলা রোডে শহরের কাশিপুর এলাকার এক ব্যবসায়ীকে অস্ত্রেরমুখে জিম্মি করে নগদ ৫৫ হাজার টাকা ও ১টি মোবাইল সেট ছিনিয়ে নেয় ছিনতাইকারি চক্র। এ ঘটনায় স্থানীয় জনতা ধারালো ৩টি দেশীয় অস্ত্রসহ ৪ ছিনতাইকারিকে আটক করে পুলিশে সোর্পদ করেছে।





