পৌষের মাঝামাঝি সময়ে এসে নারায়ণগঞ্জে শীতের আমেজ এখন পুরোদমে অনুভূত হচ্ছে।
আজ শনিবার(২৭ ডিসেম্বর) সকালটা শুরু হয়েছিল ঘন কুয়াশার চাদরে মোড়ানো অবস্থায়। তবে বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে কুয়াশা কেটে গিয়ে দেখা মিলেছে সূর্যের। এতে নগরবাসী কিছুটা উষ্ণতা পেলেও উত্তরের হিমেল হাওয়ার কারণে শীতের তীব্রতা কমেনি।
আবহাওয়া অফিসের তথ্য ও স্থানীয় তাপমাত্রা বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, আজ নারায়ণগঞ্জে দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ২৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসের আশেপাশে থাকলেও সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৪ থেকে ১৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নেমে আসতে পারে।
- দুপুরের অবস্থা: আকাশ আংশিক পরিষ্কার এবং রোদ থাকায় আবহাওয়া কিছুটা আরামদায়ক।
- রাতের পূর্বাভাস: সূর্যাস্তের পর পরই তাপমাত্রা দ্রুত কমতে শুরু করবে। মধ্যরাত থেকে ভোর পর্যন্ত মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়তে পারে।
শীতের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে নারায়ণগঞ্জের বাতাসের দূষণ। আজ শহরের চাষাঢ়া, ২নং রেলগেট, পঞ্চবটি ও সাইনবোর্ড এলাকায় বাতাসে ধুলিকণার পরিমাণ স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক বেশি। এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্স (AQI) অনুযায়ী, আজ নারায়ণগঞ্জের বাতাস ‘অস্বাস্থ্যকর’ ক্যাটাগরিতে রয়েছে। বিশেষ করে শিশু ও শ্বাসকষ্টের রোগীদের জন্য মাস্ক ছাড়া বাইরে বের হওয়া ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে।
ছুটির দিন হওয়ায় সকালে রাস্তাঘাটে মানুষের চলাচল কিছুটা কম ছিল। তবে বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে শীতলক্ষ্যা নদী পারাপার ও শহরের বিপণিবিতানগুলোতে ভিড় বেড়েছে। রিকশাচালক ও শ্রমজীবী মানুষদের গায়ে গরম কাপড় জড়িয়ে কাজে নামতে দেখা গেছে। নগরীর এক বাসিন্দা বলেন, সকালে কুয়াশায় কিছু দেখা যাচ্ছিল না। এখন রোদ ওঠায় ভালো লাগছে, তবে বাতাসের কারণে বেশ ঠান্ডা অনুভূত হচ্ছে।
আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, আগামী কয়েকদিন তাপমাত্রা আরও সামান্য কমতে পারে। বিশেষ করে ভোররাতে নদী তীরবর্তী এলাকাগুলোতে কুয়াশার ঘনত্ব বেশি থাকার সম্ভাবনা রয়েছে, তাই নৌযান চলাচলে সাবধানতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
স্বাস্থ্য পরামর্শ হিসাবে, ১. সন্ধ্যা ও ভোরে বের হলে অবশ্যই গরম কাপড় সাথে রাখুন। ২. ধুলোবালি এড়াতে রাস্তায় চলাচলের সময় মাস্ক ব্যবহার করুন। ৩. শিশুদের ঠান্ডা পানি বা খাবার থেকে বিরত রাখুন।








