নারায়ণগঞ্জ ।
,

কক্সবাজারে বন্যা পরিস্থিতি জেলায় বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হলেও তীব্র জলাবদ্ধতা ও দুর্ভোগ
পাহাড় ধ্বস ও পানিতে ডুবে তিনজনের মৃত্যু

কক্সবাজার: গোলাম আজম খান, কক্সবাজারের চকরিয়া পেকুয়া ও মাতামুহুরি উপজেলার বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হলেও এই তিন উপজেলার ১০ টি ইউনিয়নের ৫০ গ্রামের মানুষ তীব্র জলাবদ্ধতার মধ্যে রয়েছে। গত এক সপ্তাহ ধরে এসব গ্রামের এক লাখের অধিক মানুষ পানিবন্দী অবস্থায় রয়েছে। এস এলাকার মানুষের দুর্ভোগের শেষ নেই। নিত্য পণ্য ও পানীয়জলের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে।

এদিকে শনিবার সন্ধ্যায় চকরিয়ার কৈয়ারবিল ইউনিয়নের খোঁজাখালী জলদাস পাড়ার স্থানীয় একটি ছড়ায় ঢলের পানিতে ভেসে গিয়ে সজীব জলদাস (১২) নামের এক কিশোর এবং পেকুয়ায় ২ বছরের এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

অপরদিকে শনিবার রাতে কক্সবাজার সদর উপজেলার কলাতলী ঝিরিঝিরি পাড়ায় পাহাড়ধ্বসে রোজিনা বেগম (৩০) নামের গৃহবধূ নিহত হয়েছেন।

এসময় গৃহবধূ রোজিনা রান্নাঘরে কাজ করছিল।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের দেওয়া তথ্যমতে, বান্দরবানের লামা ও আলীকদম উপজেলা থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে মাতামুহুরী নদীর পানি এখন বিপদসীমার নিচে প্রবাহিত হচ্ছে। তবে এর আগে পানি বিপদসীমার উপরে প্রবাহিত হওয়ায় তীব্র স্রোতের কারণে পেকুয়া উপজেলার ভোলাইয়াখাল এবং মাতামুহুরী উপজেলার কোনাখালী ইউনিয়নের পুরুত্যাখালী ও মরণঘোনা এলাকার বন্যা নিয়ন্ত্রণ বেড়িবাঁধ ভেঙে গেছে।

কক্সবাজার জেলা প্রশাসন কার্যালয়ের দেয়া তথ্য মতে, এখন পর্যন্ত জেলায় বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সংখ্যা ১ লাখ ৫০ হাজার ৬৬২ জন। ৬৪০টি আশ্রয় কেন্দ্রে আশ্রয় নিয়েছে ১৪ হাজার ৬১ জন। সরকারি ভাবে বরাদ্দ দেয়া হয়েছে ৪৫০ মেট্রিক টন চাল এবং ৩০ লাখ নগদ টাকার পাশাপাশি শুকনো খাবার বিতরণ সহ জরুরি চিকিৎসার ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও সংবাদ >