পুলিশি ঝামেলা হতে পারে ভেবে মাকেই অস্বীকার করেছে কুলাঙ্গার এই ছেলে। আসে নি মাকে শেষ দেখা দেখতে। তিনি একজন যুগ্ম-সচিব, পড়াশুনা করেছেন বুয়েট থেকে। বর্তমানে কর্মরত আছেন মংলা।
প্রথম সন্তানের অনুভূতি একটি মায়ের কাছে সবচেয়ে আলাদা, সবচেয়ে আবেগের। কত স্বপ্ন থাকে, মমতা থাকে প্রথম সন্তান ঘিরে। প্রত্যেক মুহুর্তের দিন গুনে অপেক্ষা করা কবে ছোট্ট একটি হাত জড়িয়ে ধরে বলবে “মা”! সেই মায়ের মৃত্যু হয়েছে জেনেও স্রেফ নিজের স্বার্থপরতায় মাকেই করল অস্বীকার! আসমান জমিন কি একবার ও কেঁপে ওঠেনি? এরা কোন শিক্ষায় বড় হয়েছে?
দেশের সর্বোচ্চ বিদ্যাপিঠে পড়েও যদি এতটুকু মানবিকতা তৈরি না হয় তবে এই শিক্ষার আদৌ কি প্রয়োজন? ২০১৩ সালে একটি আইন হয়েছে, পিতামাতার ভরনপোষণ দায়িত্ব নিতে হবে সন্তানদের। অন্যথায় জেল এবং জরিমানা হবে আইন অনুযায়ী।
জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারী জানিয়েছেন, এই কুলাঙ্গার ছেলের বিরুদ্ধে নেয়া হবে আইন গত ব্যবস্থা। সরকারের কাছে এটাই প্রার্থনা তিনি যেন এই সঠিক বিচার করেন, কোন ছেলেমেয়েই যেন তাদের পিতামাতার প্রতি এমন অবিচার করতে না পারে। কারন সারাজীবন যে মমতা দিয়ে আগলে রাখে তাদের যেন শেষ জীবনে এমন অবস্থার মুখোমুখি না হতে হয়। মায়ের পায়ের নীচে সন্তানের বেহেশত যেখানে, সেই মা কে যে অস্বীকার করতে পারে তার স্থান এই দুনিয়ায় না হোক!







