বিশ্বকাপ ফুটবলের উত্তেজনার মাঝেই জমে উঠছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড-এর নির্বাচন। শুরুতে নির্বাচনকে একপাক্ষিক মনে হলেও বাস্তবে বেশ কয়েকটি ক্যাটাগরিতে দেখা যাচ্ছে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ লড়াই।
বিসিবির মোট পরিচালক পদ ২৫টি। এর মধ্যে দুটি পদ জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের জন্য সংরক্ষিত থাকায় বাকি ২৩টি পদের জন্য হবে ভোট। এবারের নির্বাচনে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন মোট ৩৩ জন প্রার্থী।
ক্যাটাগরি ‘সি’-তে ভোটার রয়েছেন ৪২ জন। তবে এ ক্যাটাগরিতে মনোনয়ন জমা পড়েছে মাত্র একটি। ফলে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের কাউন্সিলর সিরাজউদ্দিন মো. আলমগীর বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হতে যাচ্ছেন। যদিও সাবেক ক্রিকেটার শাহরিয়ার হোসেন বিদ্যুৎ মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছিলেন, বিসিবির গঠনতন্ত্র অনুযায়ী কোয়াব কাউন্সিলররা কেবল ভোট দিতে পারেন, নির্বাচনে অংশ নিতে পারেন না।
জেলা ও বিভাগভিত্তিক ক্যাটাগরি ‘এ’-তে রয়েছে ১০টি পরিচালক পদ। ৬৬ ভোটারের বিপরীতে এখানে মনোনয়ন জমা পড়েছে ১৪টি। রাজশাহী বিভাগের বগুড়ার কাউন্সিলর মীর শাকরুল আলম সীমান্তও বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হতে যাচ্ছেন। ঢাকা, খুলনা ও চট্টগ্রাম বিভাগের জন্য রয়েছে দুটি করে পরিচালক পদ। অন্যদিকে সিলেট, বরিশাল ও রংপুর বিভাগে থাকবে একটি করে পদ।
সবচেয়ে বেশি আগ্রহ তৈরি হয়েছে ক্লাবভিত্তিক ক্যাটাগরি ‘বি’ ঘিরে। এই ক্যাটাগরিতে ১২টি পদের বিপরীতে মনোনয়ন জমা পড়েছে ১৮টি। এখানে লড়বেন তামিম ইকবাল, ফাহিম সিনহা, রফিকুল ইসলাম বাবু, মির্জা ইয়াসির আব্বাস, সাঈদ ইব্রাহিম আহমেদ, ইসরাফিল খসরু ও শাহনিয়ান তানিমসহ আরও অনেকে।
নির্বাচন কমিশন শনিবার প্রার্থীদের প্রাথমিক তালিকা প্রকাশ করবে। রোববার যাচাই-বাছাই ও প্রত্যাহার শেষে সোমবার প্রকাশ করা হবে চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা। আগামী ৭ জুন অনুষ্ঠিত হবে বিসিবির নির্বাচন। নির্বাচনের দিনই পরিচালকদের ভোটে নির্ধারিত হবে আগামী চার বছরের জন্য বিসিবির নতুন সভাপতি।





