নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন (নাসিক) এলাকায় আবাসিক গভীর নলকূপ বা সাবমারসিবল পাম্পের ওপর প্রস্তাবিত ফি বা ট্যাক্স পুরোপুরি বাতিল করা হয়েছে। নগরবাসীর অর্থনৈতিক স্বস্তি এবং জনদাবির প্রতি সর্বোচ্চ সম্মান জানিয়ে নাসিক প্রশাসক অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খান সরকারের উচ্চপর্যায়ের সাথে বিশেষ আলোচনার মাধ্যমে এই কর বাতিলের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছেন।
প্রশাসনিক নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা গেছে, মূলত নগরীতে অপরিকল্পিতভাবে গভীর নলকূপ স্থাপনের ফলে ভূগর্ভস্থ পানির স্তর নিচে নেমে যাওয়ার ঝুঁকি মোকাবিলায় একটি সুনির্দিষ্ট ডাটাবেজ তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। সেই লক্ষে নামমাত্র একটি প্রশাসনিক ফি চালুর প্রাথমিক চিন্তাভাবনা থাকলেও একটি স্বার্থান্বেষী মহল বিষয়টিকে ‘জনবিরোধী ট্যাক্স’ হিসেবে অতিরঞ্জিত করে সাধারণ মানুষের মাঝে বিভ্রান্তি ছড়ানোর অপচেষ্টা চালায়।
জনগণের ওপর যেন কোনো ধরনের বাড়তি আর্থিক চাপের সৃষ্টি না হয়, সেজন্য শুরু থেকেই আন্তরিক ছিলেন নাসিক প্রশাসক অ্যাডভোকেট মোঃ সাখাওয়াত হোসেন খান। তিনি স্বউদ্যোগে সরকারের উচ্চপর্যায়ের নীতিনির্ধারকদের সাথে সরাসরি যোগাযোগ ও দীর্ঘ আলোচনা করেন। তাঁর বলিষ্ঠ যুক্তি ও জনবান্ধব অবস্থানের প্রেক্ষিতে সরকার এই প্রস্তাবিত ফি বা ট্যাক্স পুরোপুরি প্রত্যাহারের সবুজ সংকেত প্রদান করেছে। ফলে সাবমারসিবল পাম্প ব্যবহারের ক্ষেত্রে নগরবাসীর ওপর আর কোনো প্রকার আর্থিক বোঝা থাকছে না।
এই যুগান্তকারী সিদ্ধান্তের ফলে প্রমাণিত হলো যে, বর্তমান সিটি প্রশাসন কোনো কর চাপানোর উদ্দেশ্যে নয়, বরং পুরোপুরি জনস্বার্থ রক্ষায় কাজ করছে। একটি মহল যেখানে এই ইস্যুটিকে কেন্দ্র করে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির চেষ্টায় ছিল, সেখানে অ্যাডভোকেট মোঃ সাখাওয়াত হোসেন খান সরাসরি সরকারের মাধ্যমে ট্যাক্স বাতিল করিয়ে সেই অপপ্রচারের দাঁতভাঙা জবাব দিয়েছেন।
স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, প্রশাসনের এই পদক্ষেপ বর্তমান প্রশাসকের দূরদর্শিতা ও জনবান্ধব মানসিকতার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। অন্যায্য অপপ্রচারের মুখে পিছু না হটে আলোচনার মাধ্যমে জনগণের দাবি আদায় করে নেওয়ায় সাধারণ নগরবাসীর মাঝে স্বস্তি ও সন্তুষ্টি বিরাজ করছে।








