শেষ ষোলোর লড়াইয়ে জমে উঠেছে ইংল্যান্ড-মেক্সিকো দ্বৈরথ। মেক্সিকো সিটি স্টেডিয়ামে প্রথমার্ধেই হয়েছে তিন গোল। জুড বেলিংহ্যামের জোড়া গোলে এগিয়ে যায় ইংল্যান্ড, যদিও বিরতির আগে এক গোল শোধ করে ম্যাচে ফেরার ইঙ্গিত দিয়েছে স্বাগতিক মেক্সিকো।
বল দখলে মাত্র ৩৭.৩ শতাংশ সময় থাকলেও আক্রমণে ছিল ইংল্যান্ডের কার্যকারিতা। ৩৬তম মিনিটে দুর্দান্ত এক পাল্টা আক্রমণ থেকে ম্যাচের প্রথম গোলটি আসে। গোলরক্ষক জর্ডান পিকফোর্ড ও ডেকলান রাইসের দ্রুত বিল্ডআপের পর বুকায়ো সাকার ক্রস হ্যারি কেইনকে ফাঁকি দিয়ে চলে যায়, আর ফাঁকায় থাকা জুড বেলিংহ্যাম হেডে বল জালে পাঠিয়ে ইংল্যান্ডকে এগিয়ে দেন।
মাত্র দুই মিনিট পর আবারও জ্বলে ওঠেন বেলিংহ্যাম। হ্যারি কেইনের সঙ্গে দারুণ ওয়ান-টু খেলে এবং এলিয়ট অ্যান্ডারসনের বল কেড়ে নেওয়ার সুযোগ কাজে লাগিয়ে নিজের ও দলের দ্বিতীয় গোলটি করেন এই মিডফিল্ডার।
তবে বিরতির আগেই ম্যাচে ফিরে আসে স্বাগতিক মেক্সিকো। একটি ফ্রি-কিক থেকে বল প্রতিহত হলেও সেটি জুলিয়ান কুইনোনেসের সামনে পড়ে, আর তিনি কোনো ভুল না করে ভলিতে গোল করে ব্যবধান কমান।
প্রথমার্ধের শেষদিকে সমতায় ফেরার সুযোগও পেয়েছিল মেক্সিকো। কিন্তু রাউল হিমেনেসের শট দুর্দান্তভাবে রুখে দেন পিকফোর্ড। এরপর বেলিংহ্যামের শেষ মুহূর্তের গুরুত্বপূর্ণ রক্ষণে বিরতিতে ২-১ গোলের লিড ধরে রাখতে সক্ষম হয় ইংল্যান্ড।








