নারায়ণগঞ্জ । শুক্রবার
১৩ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ,
৩০শে মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সরবরাহ বাড়লেও, বৃদ্ধি শীতকালীন সবজির দাম

শীতের শুরুতে বাজারে ফুলকপি, বাঁধাকপি, শিম, মুলাসহ মৌসুমি সবজির সরবরাহ বাড়লেও দাম কমেনি; বরং উল্টো বেড়েছে ৩০ থেকে ৫০ টাকা পর্যন্ত। মাসের শুরুর দিকে ৫০–৬০ টাকায় মিললেও এখন বেশিরভাগ সবজিই ৭০–৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

শনিবার সকালে রাজধানীর কারওয়ান বাজার ও নিউ মার্কেট কাচা বাজার ঘুরে দেখা যায়, নিয়মিত সবজির পাশাপাশি শীতকালীন সবজির দামও হঠাৎ বেড়েছে। ক্রেতাদের অভিযোগ, সরবরাহ বাড়লেও দাম কমার কোনো প্রভাব বাজারে নেই।

ঢেঁড়স, চিচিঙ্গা, করলা, পটোল, ঝিঙা, ধুন্দল ৭০–৮০ টাকা কেজি, আগে ছিল ৫০–৬০ টাকা। বরবটি ১০০ টাকা কেজি, ১০ টাকা বৃদ্ধি টাকা। করলা ১১০ টাকা কেজি, বর্তমানে ৪০ টাকা বৃদ্ধি। কচুর লতি ৭০ টাকা কেজি, ১০ টাকা বৃদ্ধি। শসা ১২০ টাকা কেজি, ৫০–৬০ টাকা বৃদ্ধি। মুলা ৫০ টাকা কেজি, ১০ টাকা বৃদ্ধি।

ফুলকপি, বাঁধাকপি ৪০–৫০ টাকা, আগে ছিল ৩০ টাকা। শিম ১৪০ টাকা কেজি, আগে ৭০–৮০ টাকা। লম্বা বেগুন ৮০ টাকা কেজি, আগে ৫০ টাকা। সবুজ গোল বেগুন ১২০ টাকা কেজি, ৪০ টাকা বৃদ্ধি। তাল বেগুন ১৪০ টাকা কেজি (অপরিবর্তিত)।টমেটো (পাকা) ১২০ টাকা কেজি, বর্তমানে ১০ টাকা বৃদ্ধি। গাজর ১৫০ টাকা কেজি, ২০ টাকা বৃদ্ধি। অপরিবর্তিত দামে পেঁপে ৩০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া লাউ ৬০ টাকা, মরিচ ১২০ টাকা।

বিক্রেতাদের দাবি, কিছু সবজির সরবরাহ কমে গেছে। সাম্প্রতিক বন্যা ও বৃষ্টিতে মাঠের ফসলের ক্ষতি হওয়ায় চাষাবাদে প্রভাব পড়েছে। ফলে বাজারে ওঠা সবজির পরিমাণ পর্যাপ্ত নয়।

আলু ৫ টাকা বৃদ্ধিতে ২৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে, পেঁয়াজ ১১০–১১৫ টাকা কেজি, মহল্লায় ১২০ টাকা।

বিক্রেতারা জানান, নতুন আলু বাজারে উঠলে পুরোনো আলুর দাম আরও বাড়তে পারে।

দেশি রসুন ৮০–১০০ টাকা, চায়না রসুন ১৬০ টাকা, থাই আদা ২০০ টাকা, চায়না আদা ১৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

লাল ডিম ১২৫ টাকা ডজন (৫ টাকা কমেছে), হালি ৪৫ টাকা। ব্রয়লার মুরগি ১৭০ টাকা কেজি, সোনালি মুরগি ২৭০–২৮০ টাকা কেজি, হাইব্রিড সোনালি ২৪০–২৫০ টাকা কেজি।

চালের বাজার স্থিতিশীল থাকলেও দাম উচ্চ পর্যায়ে— পাইকারি সপাইজাম,আটাশ ৫৮–৬০ টাকা, মিনিকেট ৭৬–৮০ টাকা কেজি।

গরু ৭৫০ টাকা, খাসি ১,২০০ টাকা, ছাগল ১,১০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও সংবাদ >