গাইবান্ধার সাদুল্লাপুরে অনলাইন ক্যাসিনো জুয়ায় টাকা হারিয়ে ঋণের চাপে এক ভ্যানচালকের আত্মহত্যার অভিযোগ উঠেছে। স্বজনদের দাবি, জুয়ায় আসক্ত হয়ে তিনি বিভিন্ন ব্যক্তির কাছ থেকে সুদে প্রায় ৫ লাখ টাকা ঋণ নিয়েছিলেন।
শনিবার দিবাগত রাতে উপজেলার নলডাঙা ইউনিয়নের পূর্ব খামার দশলীয়া গ্রাম থেকে জবেদ আলী (৫৫) নামে ওই ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। রোববার (১৯ জুলাই) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেন সাদুল্লাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তাজউদ্দিন খন্দকার।
নিহত জবেদ আলী ওই গ্রামের মৃত কফিল উদ্দিনের ছেলে। তিনি পেশায় ভ্যানচালক ছিলেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কিছুদিন আগে অনলাইন ক্যাসিনো জুয়ায় জড়িয়ে পড়েন জবেদ আলী। ধীরে ধীরে এতে বিপুল পরিমাণ অর্থ হারিয়ে তিনি ঋণগ্রস্ত হয়ে পড়েন। স্বজনদের দাবি, একপর্যায়ে তার ঋণের পরিমাণ ৫ লাখ টাকায় পৌঁছায়। ঘটনার দিনও তিনি জুয়া খেলে টাকা হারিয়ে বাড়ি ফিরেছিলেন বলে জানা গেছে।
নিহতের ভাগনি রাশেদা বেগম বলেন, শুরুতে আত্মীয়-স্বজনের কাছ থেকে এবং পরে স্থানীয় বিভিন্ন ব্যক্তির কাছ থেকে ঋণ নেন জবেদ আলী। জুয়ার কারণে তৈরি হওয়া ঋণ কীভাবে পরিশোধ করবেন—এই দুশ্চিন্তা থেকেই তিনি আত্মহত্যা করে থাকতে পারেন বলে ধারণা করেন তিনি।
সাদুল্লাপুর থানার ওসি তাজউদ্দিন খন্দকার জানান, খবর পেয়ে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে।
তিনি আরও জানান, স্থানীয়দের কাছ থেকে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, জবেদ আলী অনলাইন জুয়ায় জড়িত ছিলেন এবং এর কারণে তার বড় অঙ্কের ঋণ হয়েছিল।







