বন্দরে মিছিলের প্রস্তুতিকালে পাঁচ শিশুসহ নিষিদ্ধ আওয়ামীলীগ , যুবলীগ ও ছাত্রলীগের ১০ নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় ৪৫ জনের নাম উল্লেখ করে শনিবার বন্দর থানায় মামলা হয়েছে। গ্রেফতারকৃতরা হচ্ছে, বন্দরের মুছাপুর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ইসমাইল হোসেন(৫৬), ছাত্রলীগ নেতা মোঃ এমদাদ হোসেন(২২), মাহিন(১৯), মোঃ ইউসুফ(১৯), মোঃ শাহপরান(১৯)। গ্রেফতারকৃত শিশুরা হচ্ছে, মোঃ মোস্তাকিন(১২), রায়হান মিয়া স্বাধীন(১৫), তামিম(১৪), আনিস(১৪) ও মোঃ হৃদয়(১৬)। আটককৃত ৫ শিশুকে পুলিশি হেফাজতে রাখা হয়েছে বলে পুলিশ জানায়। এ ছাড়া মামলার আসামীরা হলেন, হৃদয়(২৭),মুছা(২৫), আরমান ওরফে এরমান(২০), রুবেল ওরফে তোফায়েল(২০), আসিফ(২২), শাহজালাল(৩০) মোঃ কামরুজ্জামান রানা(২৬), হারুন প্রধান(৪৫), বিল্লাল হোসেন(৩০), কাদির মেম্বার(৫৫) আরিফ হোসেন বাবু(৩২), মাহামুদুর রহমান শুভ(৩৫), অন্তর( ৩০), প্রান্ত(২৮), মনির মেম্বার(৪৫), রানা(৩৫), মিজান প্রধান( ৪০), জিয়াউদ্দিন জিয়া(৩৮), সিফাত(৩০), অমর(৩০),মাহবুব মেম্বার(৫০), শাহাবুদ্দিন(৪৫), রিপন(৩৫),ইকবাল হোসেন(৫৫), রিটন মেম্বার(৪৫), মান্নাফ মেম্বার(৩৮), সোহেল(৩৫), শাহীন আহম্মেদ পরাগ(৩৫), সুমন(৪৫), এস মামুন(৪৫), অনিক সরদার(৪০), সিফাত সরদার(৩৪) সোহেল(৪৫) মোসলেউদ্দিন(৫০)ও সানোয়ার হোসেন বিপ্লব(৩৬)।
বন্দর থানার এসআই অনিল চন্দ্র জানান, শনিবার সকালে পুলিশ গোপন সূত্রে খবর পায় যে, বন্দর উপজেলার মুছাপুর ইউনিয়নের লাঙ্গলবন্দ ব্রিজের ওপর নিষিদ্ধ ষোষিত ছত্রলীগ, যুবলীগ ও আওয়ামীলীগের ৭০/৭৫ জন নেতা কর্মী মিছিল করার প্রস্তুতি নিচ্ছে। এ সময় পুলিশের একটি টিম সেখানে উপস্থিত হয়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে দৌড়ে পালানোর সময় ১০ জনকে গ্রেফতার করা হয় । বাকিরা পালিয়ে যায়।
বন্দর থানার ওসি জামালউদ্দিন জানান, এ ব্যাপারে মামলা হয়েছে। ১০ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বাকিদের গ্রেফতারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত আছে।





