নারায়ণগঞ্জের বন্দর উপজেলায় যাত্রীবাহী হামিদ পরিবহনে ডাকাতি প্রস্তুতিকালে দুই সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে ধামগড় ফাঁড়ি পুলিশ। বৃহস্পতিবার (১৩ নভেম্বর) দুপুরে তাদের আদালতে প্রেরণ করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন—বন্দর থানার মুরাদপুর এলাকার কায়ুম মিয়ার ছেলে আবুল বাসার ওরফে বাদশা (৩০) এবং একই থানার কেওঢালা এলাকার জহির মিয়ার ছেলে মাসুদ (২৯)।
এ ঘটনায় রোকেয়া এসপি হামিদ পরিবহনের ম্যানেজার লিখন ওরফে হাসান বাদী হয়ে ১০ জন ডাকাতসহ আরও ৪/৫ জন অজ্ঞাত ব্যক্তিকে আসামি করে বন্দর থানায় মামলা (নং ১৮(১১)২৫) দায়ের করেছেন।
পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তারকৃতদের কাছ থেকে লুণ্ঠিত কয়েকটি বাটন মোবাইল সেট, ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত কাঠের বাটযুক্ত লোহার হাতুড়ি এবং কাঠের বাটযুক্ত একটি চাইনিজ কুড়াল উদ্ধার করা হয়েছে।
মামলার তথ্য সূত্রে জানা যায়, হামিদ পরিবহনের নাটোর-ব-১১-০০২৬ নম্বর বাসটি চাপাইনবাবগঞ্জ থেকে চট্টগ্রামগামী ছিল। গত ১১ নভেম্বর ভোর ৫টার দিকে বন্দর উপজেলার কেওঢালা মেঘাসিটি ফিলিং স্টেশনের সামনে যাত্রী নামানোর পরপরই একদল সশস্ত্র ডাকাত বাসে উঠে চালক, হেলপার ও সুপারভাইজারকে জিম্মি করে ফেলে। তারা ড্রাইভারের কাছ থেকে নগদ ৩,৫০০ টাকা, একটি অ্যান্ড্রয়েড ফোন এবং হেলপারের কাছ থেকে একটি বাটন মোবাইল ছিনিয়ে নেয়।
পরে চালক ছানোয়ার মোল্লা বিষয়টি গোপনে পুলিশকে জানান। খবর পেয়ে ধামগড় ফাঁড়ি পুলিশ বুধবার (১২ নভেম্বর) রাত সোয়া ৯টার দিকে অভিযান চালিয়ে ড্রাইভারের শনাক্তমতে বাদশা ও মাসুদকে গ্রেপ্তার করে।
বন্দর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) লিয়াকত আলী বলেন, “গ্রেপ্তার দুইজন পেশাদার ডাকাত দলের সক্রিয় সদস্য। তারা হামিদ পরিবহনে ডাকাতি করার উদ্দেশ্যে একত্রিত হয়েছিল বলে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করেছে। পলাতক আসামিদের ধরতে অভিযান চলছে।”
পুলিশ জানিয়েছে, হামিদ পরিবহন কর্তৃপক্ষের অভিযোগের ভিত্তিতে ঘটনাটিকে গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করা হচ্ছে এবং শিগগিরই বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারের আশা করা হচ্ছে।






